জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সহ সভাপতি মিঠুন বাড়ৈকে সংগঠন থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তিনি বিশ্ববিদ্যালয় মনোবিজ্ঞান বিভাগের দশম ব্যাচের শিক্ষার্থী। তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, সংগঠন ও শৃঙ্খলা পরিপন্থী বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার অভিযোগ আনা হয়েছে। এছাড়াও স্থায়ী বহিষ্কার করার জন্য বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় সংসদ বরাবর সুপারিশ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ আগস্ট) শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি মো. ইব্রাহীম ফরাজী ও সাধারণ সম্পাদক এস এম আকতার হোসাইন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে অব্যাহতির বিষয়টি জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংগঠনবিরোধী, শৃঙ্খলা পরিপন্থী, অপরাধমূলক এবং সংগঠনের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয় এমন কার্যকলাপে যুক্ত থাকার অভিযোগে মিঠুন বাড়ৈকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হলো।
অব্যাহতির বিষয়ে মিঠুন বাড়ৈ বলেন, ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্র মতে কাউকে অব্যাহতি দেওয়ার এখতিয়ার শুধুমাত্র কেন্দ্রের হাতে। তাই এই অব্যাহতির বিজ্ঞপ্তি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আগামী জাতীয় নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে দুর্বল করতে আমাকে এই অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ নেই, কোনো প্রমাণ নেই। যদি কোনো অভিযোগের প্রমাণ দেখাতে পারে আমি সকল শাস্তি মেনে নিব।
শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম আকতার হোসাইন বলেন, কেন্দ্র থেকে নির্দেশনা আছে যারা সংগঠনবিরোধী কিংবা অপরাধমূলক কাজে জড়িত তাদের চিহ্নিত করেন সংগঠন থেকে বহিষ্কার করার। তাই আমরা যারা অপরাধের সাথে জড়িত তাদের অব্যাহতি দেওয়ার কাজ হাতে নিয়েছি এবং একইসঙ্গে কেন্দ্র বরাবর স্থায়ী বহিষ্কার করার জন্য সুপারিশ করব। মিঠুন বাড়ৈ বিরুদ্ধে চাঁদাবাজিসহ একাধিক বিষয়ে প্রমাণসব অভিযোগ এসেছে। তাই তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এছাড়া ভবিষ্যতে আরও যারা শৃঙ্খলা পরিপন্থী কাজ করবে তাদেরও সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হবে।
এই বিষয়ে জানার জন্য জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি মো. ইব্রাহীম ফরাজীকে কল করে পাওয়া যায়নি।