এ দুর্ভোগ লাগব হবে কবে, এ আক্ষেপ এলাকাবাসীর। এক কিলোমিটার পথ। এতে চারটি প্রতিষ্ঠানের প্রায় দুই হাজারের মতো শিক্ষার্থী-শিক্ষক এবং একটি বাজারসহ এলাকার কয়েক হাজার জনসাধারণ চলাচল করে থাকে। সেই মাটির সড়কটি সামান্য বৃষ্টিতে কাদা ও পানি জমে একাকার হয়ে পড়ে। তখন যানবাহন তো দূরের কথা পায়ে হাঁটাও দুরূহ হয়ে পড়ে।
এ অবস্থা উপজেলার টোক ইউনিয়নের পাঁচুয়া গ্রামের খুরশীদের মোড় থেকে পাঁচুয়া বাজার পর্যন্ত সড়কটির অবস্থান।
স্থানীয়রা জানায়, এই এলাকা উপজেলার প্রত্যন্ত পল্লী ও অবহেলিত একটি জনপথ। এখানকার রাস্তাঘাট বা সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত না থাকায় এলাকায়ও তেমন কোনো উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি।
শিক্ষার্থী তানভীর শিশির জানান, এ সড়কপথে চারটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দিঘাব আমানউল্লা বালিকা দাখিল মাদ্রাসা, পাঁচুয়া দারুসুন্নাহ দাখিল মাদ্রাসা, দিঘাব আমজাদিয়া ফাজিল মাদ্রাসা ও দিঘাব শামনা জাজারের লোকজন যাতায়াত করে থাকেন। সড়কটি আঠালো লাল মাটির হওয়ায় সামান্য বৃষ্টির পানিতে কর্দমাক্ত হয়ে পড়ে। তখন ছাত্র-শিক্ষক ও এলাকার জনসাধারণের চলাচলের খুবই দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
দিঘাব আমান উল্লাহ দাখিল মাদ্রাসার সুপার সাইফুল্লাহ জানান, এই সড়কে চারটি প্রতিষ্ঠানের প্রায় এক হাজারের অধিক শিক্ষার্থী শিক্ষক চলাচল করে থাকেন। সড়কটি দ্রুত পাকা হওয়া জরুরি।
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আরব আলী জানান, এ সড়কটির জন্য এলাকাবাসীর অনেক কষ্ট হয়। এজন্য অনেক গালমন্দ শুনতে হয়। সড়কটি পাকা হওয়ার জন্য স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আ. জলিল স্থানীয় সরকার প্রকৌশল দপ্তরে চিঠি দিয়েছেন।