সেনা অভ্যুত্থানের ৩ দিন পর শনিবার গ্যাবন তার সীমানা পুনরায় চালু করেছে। একজন সেনা মুখপাত্র এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। খবর রয়টার্সের।
জেনারেল ব্রাইস ওলিগুই এনগুইমার নেতৃত্বে সামরিক অফিসাররা বুধবার (৩০ আগস্ট) অভ্যুত্থানের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি আলী বঙ্গোকে ক্ষমতাচ্যুত করে তাকে গৃহবন্দী করে। এনগুইমাকে রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে ঘোষণা করা হয় সে রাতেই। এরপর তিন দিন ধরে দেশটির সীমান্ত বন্ধ ছিল।
বঙ্গো পরিবার ৫৬ বছর ধরে গ্যাবনের ক্ষমতায় ছিল। এটি পশ্চিম ও মধ্য আফ্রিকায় তিন বছরে অষ্টম অভ্যুত্থান। এই অঞ্চল জুড়ে সামরিক দখলকারীদের উৎপাত বেশ লক্ষণীয়। গত দুই দশকে গণতান্ত্রিক অগ্রগতি প্রায় মুছে দিয়েছে সামরিক কর্মকর্তারা।
অভ্যুত্থান নেতারা বেসামরিক সরকার পুনরুদ্ধারের জন্য আন্তর্জাতিক চাপের মুখে পড়েছেন। কিন্তু গত রাতে বলেছেন, তারা নির্বাচনের জন্য তাড়াহুড়ো করবেন না।
জাতীয় টেলিভিশনে সেনাবাহিনীর মুখপাত্র বলেছেন, স্থল, সমুদ্র ও আকাশ সীমানা খুলে দেওয়া হয়েছিল কারণ জান্তা ‘আইনের শাসনের প্রতি সম্মান রক্ষা, আমাদের প্রতিবেশী এবং বিশ্বের সমস্ত রাষ্ট্রের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার বিষয়ে উদ্বিগ্ন’ এবং আন্তর্জাতিক প্রতিশ্রুতি রাখতে সতর্ক।
বঙ্গো ২০০৯ সালে নির্বাচিত হয়ে তার প্রয়াত পিতা ওমরের কাছ থেকে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। পিতা ওমর ১৯৬৭ সালে ক্ষমতায় এসেছিলেন। বিরোধীরা বলছেন, পরিবারটি গ্যাবনের তেল এবং খনির সম্পদ জনগণকে ভোগ করতে দেয়নি।