ভেসে যাও পাথরে বালিতে।
ডুবে যাও নীলের প্রান্তরে।
তীরে ওঠো, যদি থাকে তীর।
হাঁটো, যদি থাকে পথ;
সব হাঁটা কিন্তু এগোনো নয়।
নিজেই যখন তুমি শূন্য ঘরে ভিড়।
সেলফি। ফেসবুক।
ফেসবুক। সেলফি।
কার আনন্দ? অসুখ কার?
পারমিতার সহনশীলতা।
ঘুমাতে যাবার আগে অন্তত একবার,
মুখে মশারির জাল,
ঘুম থেকে উঠে
ঘুমমাখা চোখের স্বপ্নহীনতা আবার।
কী দেখছো?
কেউ নেই দরজায়;
সামনে তাকাও, যাচ্ছে অচেনা প্রাশ্নিক;
আকাশের গর্তে চোখ,
কেন যে নক্ষত্র খোঁজে?
হাসছে বিষণ্ন মুখ,
নিজের দাঁতেই কামড়ানো ঠোঁট,
কাকে কামড়াতে চেয়েছিলে?
চুল এলোমেলো। আঁচড়ে নিলে। সাজানো অন্ধকার।
লাল লিপস্টিকে ঠোঁট সমুদ্রে আধেক সূর্য।
মুখভঙ্গি সাত রকম
নয় রকম করতে ব্যর্থ।
চোখ মারে
কাকে?
মনে পড়ে,
বহুদিন আগে একজন তাকে;
এখন নিজেকে।
হে আত্মকেন্দ্রিকতা
চোরাবালির দর্পণে শুধু অন্বেষণ।
ছবি দ্যাখে তিড়িংবিড়িং চোখ।
কাঙ্ক্ষিত পোজের রসায়ন মুছে দেয়।
কথা লেখে, পিঁপড়ে খাওয়া ভাষা।
ঘর থেকে দূরে যায়
হয়তো অরণ্যে নিজেকে খোঁজে,
হয়তো কোনো এক স্রোতের তিরোহিতে।
প্রেক্ষাপটে ঘুমাচ্ছে নগ্নতা।
ঘাসের তর্জনি নূপুরে বিরক্ত।
ঝরাপাতা ছুঁয়ে যায় গ্রীবা।
পরিচয়পত্রে রৌদ্রেরা মৃত।
একাগুলি রূপের গল্পে প্রীয়মাণ।
শ্রোতা নেই। আছে। নিজ কান।
আকাঙ্ক্ষার স্থবিরতা
তিরপিত সুখ
কাউকে পাঠালে
যদি তার অবসর থাকে
বিষণ্ন বীজের মতো হাসে।
আত্মমগ্নতার জাদুঘরে
কার অন্বেষণে ব্যস্ত পারমিতা?