আমি হলাম ছোট্ট রঙিন ঘুড়ি
রঙের বাহার সমস্ত গা জুড়ি
জন্ম আমার চৌধুরীদের ভূমে
নীল আকাশে বাতাস মেখে উড়ি।
প্রাচীরঘেরা সেই সে সাদা বাড়ি
নানান ফুলের বাগান সারি সারি
ফুলের সুবাস মাখিয়ে গায়ে রোজ
হেলেদুলে ঊর্ধ্বে দিতাম পাড়ি।
সেই বাড়িটার সবার ছোট ছেলে
বিকেলবেলা আমায় কাছে পেলে
উড়তে দিয়ে বিশাল আকাশপানে
সুতো ধরে দেখত দু চোখ মেলে।
এই তো সেদিন আকাশের তল্লাটে
লাল ঘুড়িটা আমায় এসে কাটে
সুতো ছিঁড়ে আটকে গেলাম শেষে
অনেক দূরে রহিম শেখের বাটে।
রহিম শেখের শ্যামলা বরন মেয়ে
হাততালি দেয় আমায় কাছে পেয়ে
বন্দি করে নাটাই রঙিন সুতোয়
খুশির দোলায় উঠল দুলে গেয়ে।
বন্ধু আমার নতুন খোকা খুকি
সুযোগ পেলে আকাশে দেই উঁকি
ছিলাম ভিলায় এখন কুঁড়েঘরে
কিন্তু আমি দু জায়গাতেই সুখী।