আবার দাম বেড়েছে মুরগি ও চিনির

স্বস্তি নেই নিত্যপণ্যের বাজারে। একটি পণ্যের দাম কমে তো পরের সপ্তাহে আরেকটির দাম বাড়ে। গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে রাজধানীর খুচরা বাজারে ব্রয়লার মুরগি, চিনি, ডিম ও রসুনের দাম বেড়েছে। তবে ভোক্তাদের জন্য স্বস্তির খবর হলো, সবজির দাম কিছুটা কমেছে।

গতকাল শুক্রবার রাজধানীর কাওরান বাজার, শান্তিনগর ও তুরাগ এলাকার নতুন বাজারে খোঁজ নিয়ে বিভিন্ন পণ্যের দামের এই চিত্র পাওয়া যায়। বাজার ঘুরে দেখা যায়, এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগিতে ১০ টাকা বেড়ে ১৮০ থেকে ১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ব্রয়লার মুরগির পাশাপাশি ডিমের দামও বেড়েছে। দুই সপ্তাহ আগে ফার্মের বাদামি ডিমের দাম কমে ৪৮-৫০ টাকা হালিতে বিক্রি হলেও গতকাল তা আবার ৫০-৫৩ টাকায় উঠে গেছে। সরকারের বিপণন সংস্থা ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশও (টিসিবি) তাদের বাজারদরের প্রতিবেদনে ডিমের এই দর তুলে ধরেছে। অথচ গত বছর এই সময়ে রাজধানীর খুচরা বাজারে প্রতি হালি ফার্মের বাদামি ডিম বিক্রি হয়েছে ৪০-৪৩ টাকায়। এই হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে প্রতি হালি ডিমে দাম বেড়েছে ২৪ দশমিক ১০ শতাংশ।

বেড়েছে চিনির দামও। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি চিনিতে ২ টাকা বেড়ে গতকাল বাজারে তা ১৩০-১৩৫ টাকায় বিক্রি হয়। তবে বাজারে কোনো কোনো সবজির দাম ৫ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। গতকাল বাজারে বিভিন্ন ধরনের সবজির মধ্যে বেগুন ৬০ থেকে ৮০ টাকা, করল্লা ৭০ থেকে ৮০ টাকা, পেঁপে ২৫ থেকে ৩০ টাকা, পটোল ৬০ থেকে ৭০ টাকা, কাঁকরোল ৬০ থেকে ৭০ টাকা, মুলা ৫০ থেকে ৬০ টাকা, টম্যাটো ১১০ থেকে ১২০ টাকা, ঢ্যাঁড়শ ৬০ থেকে ৭০ টাকা, চিচিঙ্গা ৫০ থেকে ৬০ টাকা, ধুন্দল ৫০ থেকে ৬০ টাকা, বরবটি ৭০ থেকে ৮০ টাকা, কচুমুখী ৭০ থেকে ৮০ টাকা, কাঁচা মরিচ ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতিটি লাউ ও চাল কুমড়া আকারভেদে ৬০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

সবজির পাশাপাশি পেঁয়াজের দাম কিছুটা কমেছে। প্রতি কেজিতে ৫ টাকা কমে আমদানিকৃত পেঁয়াজ ৬৫ থেকে ৭০ টাকা এবং দেশি পেঁয়াজ ৮০ থেকে ৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে দেশি রসুনের দাম বেড়েছে। কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে গতকাল বাজারে প্রতি কেজি দেশি রসুন ২২০ থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রি হয়। এছাড়া আমদানিকৃত রসুনের কেজি ২২০ থেকে ২৪০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।