সখীপুরে এমপির প্রচেষ্টায় ব্রিজ-কালভার্ট ও রাস্তা নির্মাণখাতে ব্যাপক উন্নয়ন 

টাঙ্গাইলের সখীপুরে সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা জোয়াহেরুল ইসলামের প্রচেষ্টায় ব্রিজ-কালভার্ট ও রাস্তাঘাট নির্মাণখাতে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। তিনি বিগত পৌনে ৫ বছরে ১০০টি ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ করেছেন। এতে ব্যয় হয়েছে ৫৬০ কোটি টাকা। 

৮০টি রাস্তার সংস্কারসহ অনেক নতুন রাস্তা নির্মাণ করেছেন। এতে ব্যয় হয়েছে ৪৭৩ কোটি টাকা। এ ছাড়াও কাবিখা, কাবিটা বরাদ্দের মাধ্যমে এইচবিবিকরণ এবং ইটসোলিং রাস্তার উন্নয়ন কাজ করা হয়েছে বিভিন্ন ইউনিয়নে। আরও অনেক ব্রিজ-কালভার্ট ও রাস্তার নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তর সূত্রে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। 

Sakhipur_MP_Joaherul-10.0.23 Unnyon-3..

উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. দুলাল হোসেন বলেন, তার ইউনিয়নে বেশ কিছু রাস্তাঘাট, ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ হয়েছে। কাবিখা, কাবিটা বরাদ্দের মাধ্যমে এইচবিবিকরণ এবং ইটসোলিং রাস্তার উন্নয়ন কাজ করা হয়েছে। আরও অনেক রাস্তাঘাট, ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ এবং ইটসোলিং রাস্তার উন্নয়নের জন্য প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা জোয়াহেরুল ইসলামের প্রচেষ্টায়ই উন্নয়ন কাজগুলো হয়েছে।
 
বহেড়াতৈল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ওয়াদুদ হোসেন জানান, বহেড়াতৈল-রতনগঞ্জ-কালিহাতী সড়কে উন্নত মানের ব্রিজের কাজ চলমান রয়েছে। এটি নির্মিত হলে কালিহাতী ও সখীপুর উপজেলার যোগাযোগে নতুন দিগন্ত উম্মোচিত হবে। তার ইউনিয়নে অনেক রাস্তাঘাট, ব্রিজ-কালভার্ট নির্মিত হয়েছে। আরও হওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছে।
 
গজারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আনোয়ার হোসেন বলেন, তার ইউনিয়নে প্রায় ১৪ কোটি টাকা ব্যয়ে সখীপুর-বাটাজোড় ১৮ ফুট প্রশস্ত পুনর্বাসন সড়ক এবং সড়কের কীর্তনখোলা-ধুমখালিতে উন্নত মানের সেতু নির্মাণ হয়েছে। এ ছাড়াও কালভার্ট ও বেশ কিছু সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে। আরও হওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছে।

যাদবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান একেএম আতিকুর রহমান আতোয়ার বলেন, তার ইউনিয়নের প্রান্ত থেকে ৯৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছে নলুয়া-ভাতকুড়া-বাসাইল সড়ক। এটি নির্মাণ হওয়ায় বাসাইল ও সখীপুর উপজেলাবাসীর সড়ক পথের যোগাযোগের এক মাইলফলক দৃষ্টান্ত সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে সখীপুর পাহাড়বাসীর টাঙ্গাইল জেলা শহরে যাতায়াতের ব্যাপক সুবিধা হয়েছে। সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা জোয়াহেরুল ইসলামের দক্ষ প্রচেষ্টায় তার ইউনিয়নে অনেক খাতে উন্নয়ন হয়েছে। 

Sakhipur_MP_Joaherul-10.0.23 Unnyon-4

কালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জামাল মিয়া বলেন, বৃহত্তর কালিয়া ইউনিয়নে অনেক রাস্তাঘাট, ব্রিজ-কালভার্ট খাতে সংসদ সদস্য ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন। 

দাড়িয়াপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনছার আলী আসিফ বলেন, তার ইউনিয়নে ২১ কিলোমিটার রাস্তা পাকাকরণ হয়েছে, ৭টি রাস্তা পাকাকরণের কার্যাদেশ হয়েছে। অসংখ্য ব্রিজ-কালভার্ট ও ইটসোলিং রাস্তা হয়েছে এবং আরও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। 

এসব উন্নয়ন কাজ স্থানীয় সংসদ সদস্যের প্রচেষ্টায়ই হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, বিভিন্ন কাজের মূল্যায়ন করেই জননেত্রী নেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আবারও সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা জোয়াহেরুল ইসলামকেই আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন দিবেন বলেন বিশ্বাস করেন। 

বহুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সরকার মোহাম্মদ নূরে আলম মুক্তা বলেন, তার ইউনিয়নে কালিদাস-হতেয়া সড়ক, চতলবাইদ-বেগপাড়া-বিসিবাইদ, কালমেঘা চৌরাস্তা-দেওয়ানপুর, বহুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদসহ বহু সড়ক পাকাকরণ হয়েছে এবং ব্রিজ-কালভার্ট নির্মান করা হয়েছে। বিশেষ করে নলুয়া-কালমেঘা সড়কটি নির্মিত হওয়ায় এলাকাবাসীর ৫২ বছরের স্বপ্নপূরণ হয়েছে। 

Sakhipur_MP_Joaherul-10.0.23 Unnyon-1..

হতেয়া রাজাবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হুমায়ুন খান বলেন, তার ইউনিয়নের বড়চালা-গিলাবাড়ি সড়কের ইন্নত খা দক্ষিণপাড়া ও বহুরিয়া-হতেয়া রাজাবাড়ি ইউনিয়নের সীমান্ত গোহালিয়া নদীর ওপর উন্নত মানের ব্রিজ নির্মাণ হওয়ায় হাজার হাজার মানুষের চলাচলের সুবিধা সৃষ্টি হয়েছে। 

এ ছাড়াও অনেক রাস্তাঘাট, ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ হয়েছে। এসব উন্নয়ন কাজে স্থানীয় সংসদ সদস্যের যুগান্তকারী প্রচেষ্টা রয়েছে। এসব কাজের মূল্যায়ন জনগণ করবেন বলে বিশ্বাস করেন তিনি।
 
হাতীবান্ধা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নরেশ চন্দ্র সরকার বলেন, কামালিয়াচালা-সৈদামপুর সড়কে নরেশ ভাঙ্গা এলাকায় উন্নত মানের ব্রিজ নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। কিছু দিন পরই এ ব্রিজ দিয়ে চলাচল শুরু হবে। এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ছিল ব্রিজ করার জন্য। আশপাশের প্রায় ২০টি গ্রামের মানুষের যোগাযোগক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত সৃষ্টি হলো। এ ব্রিজের জন্য বিশেষভাবে স্থানীয় সংসদ সদস্য এলাকাবাসীর কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।
 
এ সকল প্রকল্প ঘুরে দেখা গেছে, সকল কাজই মানসম্মত ও টেকসই হয়েছে। স্থানীয়রা মনে করছেন, বাসাইল-সখীপুরের সংসদ সদস্য জোয়াহেরুল ইসলামের নেতৃত্বের কারণে এসব উন্নয়ন কাজ সম্ভব হয়েছে।
 
এ বিষয়ে স্থানীয়রা বলেন, নানামুখী দৃশ্যমান উন্নয়নের কারণে বর্তমান সংসদ সদস্য সখীপুর-বাসাইলের উন্নয়নের রূপকার এ আসন থেকে আবারও নৌকা প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই।  

সখীপুর পৌরসভার টানা তিন বারের মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু হানিফ আজাদ বলেন, সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা জোয়াহেরুল ইসলামের দূরদর্শী নেতৃত্ব ও বলিষ্ঠ ভূমিকার কারণে এসব উন্নয়নমূলক কাজ করা সম্ভব হয়েছে। 

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা তাহমিনা আক্তার চৌধুরী ও এলজিইডির প্রকৌশলী আবদুল বাছেদ বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে রাস্তাঘাট, ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণসহ বিভিন্ন খাতে সখীপুরে অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে। তারা এ সকল উন্নয়ন কাজে বরাদ্দ ও সফলতার জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা জোয়াহেরুল ইসলামের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। 

সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা জোয়াহেরুল ইসলাম বলেন, আমার নির্বাচনী এলাকা বাসাইল-সখীপুরে যত উন্নয়ন হয়েছে সব কিছু বিশ্ব শান্তির অগ্রদূত মানবতার মা, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার কারণে হয়েছে। তিনি বিশ্বনন্দিত নেত্রী। আমি জনগণের কামলা (খাদেম), নির্বাচনী এলাকায় প্রধানমন্ত্রী বরাদ্দ দেন, একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে নেত্রীর নির্দেশ মতে, উন্নয়নমূলক কাজগুলো সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়ন করে থাকি। এখন এলাকায় ঘুরে ঘুরে উন্নয়নের বার্তা জনগণের মাঝে পৌঁছে দিচ্ছি। তার জন্য দোয়া চাচ্ছি। তিনি যেন দেশ-জাতির কল্যাণে আবারও প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন।