সতীন নিয়ে ঝগড়া, স্বামীর হাত পা বেঁধে বিশেষ অঙ্গচ্ছেদ করলো প্রথম স্ত্রী

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে দুই সতীনের ঝগড়াকে কেন্দ্র করে স্বামীর বিশেষ অঙ্গ কেটে নিয়ে পালিয়ে গেছে প্রথম স্ত্রী। আহত স্বামী এখন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে।

গোপালপুর থানা পুলিশ জানায়, নগদাশিমলা ইউনিয়নের বিলডগা গ্রামের শারিরীক প্রতিবন্ধী হায়দার আলী ঢাকায় রেলওয়েতে চাকরি করে। বাড়িতে প্রথম স্ত্রী হামিদা বেগম এক সন্তান নিয়ে বাস করে। 

প্রথম স্ত্রীর অভিযোগ, রেলওয়েতে চাকরি হওয়ার পর ঢাকায় গোপনে রোকসানা নামের এক গার্মেন্টস কর্মীকে বিয়ে করে হায়দার। দ্বিতীয় বিয়ের পর ঠিক মতো ভরণপোষণ দিতো না। সতীনকে মেনে নেওয়ার জন্য নানাভাবে নির্যাতন করতো। এসব নিয়ে সংসারে অশান্তি লেগেই ছিল। গত শুক্রবার বিকালে হায়দার বাড়িতে এলে সতীন প্রসঙ্গ নিয়ে আবারও ঝগড়া হয়।

আহত হায়দার তার স্বজনদের জানায়, রাতে ঘুমানোর আগে স্ত্রী হামিদা পানির সঙ্গে ঘুমের ঔষুধ মিশিয়ে অচেতন করে। গভীর রাতে তার অঙ্গচ্ছেদ করার সময় যন্ত্রণায় ঘুম ভেঙে যায়। চিৎকারে বাড়ির লোকজন এগিয়ে এলে হামিদা কোলের সন্তানকে রেখে এবং কেটে ফেলা বিশেষ অঙ্গ নিয়ে পালিয়ে যায়। স্বজনরা গুরুতর আহত হায়দারকে প্রথমে গোপালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। অবস্থা সঙ্কটজনক হওয়ায় তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
 
খবর পেয়ে পুলিশ হায়দার আলীর বাড়িতে গিয়ে ব্লেড ও রক্তাক্ত কাঁপড় আলামত হিসাবে সংগ্রহ করে। 

গোপালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিয়াউল মোর্শেদ খবরের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।