রাজধানীতে নতুন ঠিকানায় এডওয়ার্ড এম কেনেডি সেন্টারের (ইএমকে) উদ্বোধন করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ইএমকে সেন্টারের লক্ষ্য জ্ঞান বিনিময়, দু'দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে তোলা, যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের সম্পর্ক জোরদার। এটি যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস এবং জাগো ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে স্থাপিত।
রোববার (২২ অক্টোবর) রাজধানীর গুলশানে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস এ সেন্টারের উদ্বোধন করেন। এর আগে দূতাবাসের পাবলিক ডিপ্লোম্যাসি কাউন্সিলর স্টিভেন ইবেলি উদ্বোধনী অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন।
মার্কিন দূতাবাসের পাবলিক এনগেজমেন্ট ডিরেক্টর শার্লিনা হুসাইন-মর্গান বলেন, বাংলাদেশি যে তরুণরা এই দরজা দিয়ে প্রবেশ করবেন, এটি আপনাদের কাছে আহবান। আপনাদের আগে যারা এখানে এসেছিল, তাদের মতো করে শেখার, নেতৃত্ব দেওয়ার, যুক্ত হওয়ার এবং সংযোগ করার।
ইএমকে সেন্টার বাংলাদেশি তরুণদের বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পৃক্ততার কেন্দ্র। এটি বই, ডিজিটাল উপকরণ, আধুনিক মাল্টিমিডিয়া এবং অনলাইন তথ্যসহ সমৃদ্ধ এক ভাণ্ডার। এই সেন্টারে রয়েছে এআর/ভিআর প্রযুক্তিসহ একটি আধুনিক রেকর্ডিং স্টুডিও এবং ঢাকার বৃহত্তম থ্রিডি প্রিন্টারগুলোর একটি। আছে উদ্যমী শিল্পীদের তোলা ও আঁকা ছবি এবং শিল্প প্রদর্শনী। কেন্দ্রে শিক্ষার্থী, গবেষক, শিল্পী এবং উৎসাহীরা নিজেদের সমৃদ্ধ করে তুলতে, আলোচনায় যুক্ত হতে, শিক্ষাগত এবং সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখে এমন প্রকল্পগুলোতে সহযোগিতা করতে পারেন।
ইএমকে সেন্টার এডুকেশন ইউএস-এ অ্যাডভাইজিং সেন্টার হিসেবেও কাজ করে। চারজন বিশেষজ্ঞ অ্যাডভাইজার শিক্ষার্থীদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় আবেদন করতে বিনামূল্যে বিভিন্ন পরিষেবায় অ্যাক্সেস প্রদান করবেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামের প্রাক্তন শিক্ষার্থী, সরকারী কর্মকর্তা, শিক্ষাবিদ, শিক্ষার্থী এবং সুশীল সমাজ, শিল্পকলা ও সাংস্কৃতিক গোষ্ঠীর সদস্যরা। ইএমকে সেন্টার আমেরিকান দূতাবাস এবং এর স্থানীয় অংশীদারদের মধ্যে অটুট সহযোগিতার প্রমাণ, প্রাতিষ্ঠানিক শ্রেষ্ঠত্ব এবং আন্তঃসাংস্কৃতিক বার্তা প্রচারে এক অভিন্ন অঙ্গীকারের প্রতিফলন। যারা সমাজে অর্থবহ অবদান রাখতে চায়, একইসঙ্গে নিজেদের সমৃদ্ধ করে তুলতে চায়, তাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হবে গুলশানে যাত্রা শুরু করা এই সেন্টার।