ঘূর্ণিঝড় হামুনের প্রভাবে আবহাওয়া অধিদপ্তর চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত ঘোষণা করায় আজ মঙ্গলবার (২৪ অক্টোবর) চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ বন্দরের জেটি ও বহির্নোঙরে জরুরি সকর্ততা জারি করেছে। ঘূর্ণিঝড়জনিত ক্ষয়ক্ষতি কমাতে ক্রমান্বয়ে সব ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে ও জরুরি বৈঠক করছে কর্তৃপক্ষ।
চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষও রয়েছে সতর্কতায়। তবে এ বিমানবন্দরে বিকেলে সব ধরনের বিমান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের (চবক) সচিব মো. ওমর ফারুক সকালে বলেন, ‘চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু করেছে। বহির্নোঙ্গরে পণ্য খালাস বন্ধ রয়েছে । জেটিতে অবস্থানরত কিছু জাহাজ বহির্নোঙ্গরে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। তিনি জানান, দিনের পরবর্তী জোয়ারে বাকি জাহাজগুলোও জেটি থেকে সরিয়ে দেয়া হবে। তবে জেটি, টার্মিনাল ও ইয়ার্ডে পূর্বনির্ধারিত ডেলিভারি কার্যক্রম চলছে।’
ঘূর্ণিঝড় হামুন মোকাবেলায় সতর্ক রয়েছে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরও। এই বিমানবন্দরের পরিচালক উইং কমান্ডার তাসনিম আহমেদ ইত্তেফাককে বলেন, ‘আজ বেলা দেড়টা পর্যন্ত এখানে সব ধরনের ফ্লাইট শিডিউল অনুসারে চলাচল করছে। আমরা চাইছি তেমন কোনো পরিস্থিতির উদ্ভব নাহলে আজকের দিনটার অপারেশন স্বাভাবিকভাবে পরিচালনা করতে। আমরা ঘূর্ণিঝড়ের ওপর নজর রাখছি। আশা করি বিকাল পর্যন্ত অপারেশন স্বাভাবিক থাকবে। অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগযোগ রাখছি, যাতে যথাসময়ে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি থাকে।’