পীরগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১৭ চিকিৎসকের পদ শূন্য, ভোগান্তিতে রোগীরা

পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকের অভাবে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। ৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালটিতে চিকিৎসকের ৩২টি পদ রয়েছে। এর মধ্যে ১৭টি পদই দীর্ঘদিন ধরে শূন্য। জুনিয়র কনসালট্যান্ট (অ্যানেসথেসিয়া) পদে লোক কর্মরত থাকলেও জুনিয়র কনসালট্যান্ট সার্জারি ও জুনিয়র কনসালট্যান্ট গাইনি পদ শূন্য থাকায় সিজারিয়ান কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এর সুফল ভোগ করছে স্থানীয় কিছু ক্লিনিক।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শূন্য পদগুলো হচ্ছে: জুনিয়র কনসালট্যান্ট সার্জারি একটি, জুনিয়র কনসালট্যান্ট মেডিসিন একটি, জুনিয়র কনসালট্যান্ট গাইনি একটি, জুনিয়র কনসালট্যান্ট শিশু দুটি, জুনিয়র কনসালট্যান্ট অর্থোপেডিক্স একটি, জুনিয়র কনসালট্যান্ট কার্ডিওলজি একটি, জুনিয়র কনসালট্যান্ট চক্ষু একটি, জুনিয়র কনসালট্যান্ট ইএনটি একটি, জুনিয়র কনসালট্যান্ট চর্ম ও যৌন একটি, আরএমও একটি, অ্যাসিস্ট্যান্ট সার্জন তিনটি, মেডিক্যাল অফিসার (ইউএসসি) দুটি ও সহকারী সার্জন (ইউএসসি) একটি মিলে মোট ১৭টি পদ শূন্য রয়েছে। এছাড়াও প্রেষণে ডাক্তার জাহাঙ্গীর হোসেন, ঠাকুরগাঁও সদর হাসপাতালে, ডাক্তার আব্দুস সালামকে রাণীশংকৈল হাসপাতালে, এক্সরে টেকনিশিয়ান আব্দুর রাজ্জাককে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে বদলী করা হয়েছে। হাসপাতালে আলট্রাসনোগ্রাম মেশিনের প্রিন্টার দীর্ঘদিন যাবত বিকল রয়েছে। ফলে উপজেলাবাসী কাঙ্ক্ষিত স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। 

ছবি: মেহের এলাহী

এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার আব্দুল জব্বার জানান, এক্সরে টেকনিশিয়ানের প্রেষণ বাতিল করে হাসপাতালে যোগদানের ব্যবস্থা প্রদানের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের  কাছে চিঠি লেখা হয়েছে। আশা করি, শূন্য পদগুলো দ্রুত পূরণ হবে।