মুম্বাই হচ্ছে শচীনের ঘরের মাঠ। ওয়াংখেড়ের এই মাঠেই ২০১৩ সালের ১৬ নভেম্বর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে শেষ টেস্ট খেলে চোখের জলে বিদায় নিয়েছিলেন শচীন। এর দুই বছর আগের রাতটা ছিল ২০১১ সালের ২ এপ্রিলের রাত। সেই রাতে এই মাঠেই বিশ্বকাপের ফাইনালে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে মাঠে ট্রফি হাতে ঘুরেছিলেন মাস্টারব্লাস্টার শচীন।
সেই রাতে শচীনদেরকে বিশ্বজয়ের আনন্দ করতে দেখেছেন। ৮ ওভার বল করে ৩৯ রান দিলেও মুরলিধরনের টার্গেট ছিল শচীন। সেদিন অনেক চেষ্টা করেও মুরলিধরন শচীনের উইকেট পাননি। কারো উইকেটই পাননি।
সেই মুরলিধরন আর শচীন টেন্ডুলকার এবারের বিশ্বকাপের মঞ্চে আছেন। ওয়াংখেড়ের মাঠে এই দুজনকে একসঙ্গে দেখা গেছে। ট্রফি নিয়ে দুজন মাঠে প্রবেশ করেন। শুধু তাই নয়, শচীন এবং মুরলিধরন ভারত-শ্রীলঙ্কার খেলার মাঝেও মাঠে এসে দর্শকদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করেন।
ভারতের ৩৫৭ রানের ইনিংসের জবাবে খেলতে নেমে শ্রীলঙ্কা তখন ৬ উইকেট হারিয়ে ২১ রান করেছে। ১১তম ওভারে পানি পানের বিরতির সময় হুট বরে মাঠে নেমে আসেন শচীন ও মুরলিধরন। তাদের হাতে ছিল একধরনের বিশেষ লাইট। যেটি প্রত্যেক দর্শকের হাতেও ছিল। টিকিটের সঙ্গে প্রবেশ পথে দেওয়া হয়েছিল। স্টেডিয়ামে আতশবাজির উত্সব করা হতো খেলার সময়। সেটি মুম্বাইয়ে করা হচ্ছে না।
পরিবেশগত কারণে আতশবাজি ফোটানো নিষেধ করা হয়। তাই এধরনের বিশেষ লাইট জ্বালিয়ে দর্শকের সঙ্গে ক্রিকেট তারকাদের উত্সব করা। শচীনের ডান হাতে সাদা রংয়ের দুটি বিশেষ লাইট জ্বলছিল। পাশে দাঁড়ানো মুরলিধরনের হাতেও দুটি লাইট। দুই জনেই হাত উঁচিয়ে দর্শকের সঙ্গে মিলিয়ে নিলেন। এক মিনিটের এই আয়োজনে শচীন-মুরলির সঙ্গে ওয়াংখেড়ের দর্শকও মিলে গেল এক স্র্রোতে।