পাখিদের নিরাপদ আশ্রয়ে গাছে গাছে বসানো হলো মাটির হাঁড়ি 

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে পাখিদের অবাধ বিচরণ, নিরাপদ আশ্রয় তৈরি ও বংশবৃদ্ধির জন্য গাছে গাছে মাটির হাঁড়ি বসানো হয়েছে। এতে ঝড়, বৃষ্টি, রোদ থেকেও বাঁচবে পাখিরা।

বুধবার (৮ নভেম্বর) বিকালে ফরেস্ট্রি অ্যান্ড উড টেকনোলজি (এফডব্লিউটি) ক্লাবের সদস্যদের হাতে মাটির হাঁড়ি তুলে দিয়ে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহমুদ হোসেন। ‘প্রকৃতির জন্য পাখি, গাছে গাছে মাটির হাঁড়ি’ শীর্ষক প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। 

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, পাখিদের নিরাপদ আশ্রয়, রক্ষা ও তাদের বংশবৃদ্ধির জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উঁচু গাছগুলোতে শতাধিক হাঁড়ি বসানো হয়েছে। হাঁড়িগুলোতে ছোট ছোট ছিদ্র করে দেওয়া হয়েছে। এতে বৃষ্টির পানি ঢুকলেও নিচের ছিদ্রগুলো দিয়ে পড়ে যাবে। তাছাড়া হাঁড়ির দুই দিকে বড় দুটি মুখ রাখা হয়েছে। ফলে হাঁড়ির মধ্যে ঢুকতে ও বের হতে পাখিদের কোনো সমস্যা হবে না।

এ ব্যাপারে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহমুদ হোসেন বলেন, ‘জীববৈচিত্র্য রক্ষার দায়িত্ব সবার। জীববৈচিত্র্য ভালো থাকলে আমাদের পরিবেশ ভালো থাকবে। আমরাও ভালো থাকবো। এই হাঁড়িগুলো বসানোর মাধ্যমে পাখিরা নিরাপদ আবাসস্থল পাবে।’

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়কে গ্রিন ক্যাম্পাসে পরিণত করতে বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘এখানে এখন অনেক পাখি আসবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সবার প্রতি অনুরোধ পাখিরা যেন নিরাপদ থাকতে পারে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় পাখিদের নিরাপদ আশ্রয় হয়ে উঠুক, আমরা সে প্রত্যাশা করি।’

এ সময় বক্তৃতা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক খান গোলাম কুদ্দুস, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রবিষয়ক পরিচালক অধ্যাপক শরীফ হাসান লিমন, আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়, কেন্দ্রীয় গবেষণাগারের পরিচালক অধ্যাপক ড. ইফতেখার শামস, ক্লাবের সভাপতি ওয়ালিদ হোসেনসহ অনেকে।