নৌকা পেলে ৩০০ আসনের মধ্যে সর্বোচ্চ ভোটে জিতবো: নিক্সন চৌধুরী

ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন বলেছেন, আমি যদি নৌকা পাই, সারা দেশের ৩০০ আসনের মধ্যে সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে বিজয়ী হবো। গত ২ বছর আমি নৌকা চাইনি, এবার নৌকা চাইবো। আপনাদের এই ভালোবাসা যদি থাকে, তাহলে বিশ্বাস করি—নেত্রী (প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা) আমাকেই নৌকা দিবে। 

আজ শুক্রবার (১০ নভেম্বর) ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার চরচান্দ্রা খেয়াঘাট-নয়াকান্দার (অর্জুনপট্টি) আড়িয়ালা খাঁ শাখা নদীর উপর ৬১ কোটি ৪৯ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিতব্য ব্রিজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। 

নিক্সন চৌধুরী আরো বলেন, ‌‘এই গ্রামের এই রাস্তা কাঁচা ছিল, আমি এসে ইটের রাস্তা করেছি। আরও খুশির খবর হলো, আপনাদের এই রাস্তা পাকা হয়ে যাবে। ইতিমধ্যে টেন্ডার (দরপত্র) হয়ে গেছে। এর পরে এই ব্রিজের কাজ শেষ হলে আপনাদের আর কেউ চরের মানুষ বলতে পারবে না। মাত্র ২ মিনিটেই আপনারা মূল সড়কে চলে আসতে পারবেন।’ 

Faridpur MP Nixon Pic 02(10-11-23)

তিনি বলেন, ‘আপনারা এই রাস্তা চাওয়ার পরে কাজী জাফরউল্ল্যাহ বলেছিলেন, এই রাস্তা দিয়ে মানুষ চলে না, গরু-ছাগল চলে, গরু-ছাগলের জন্য রাস্তা করা লাগবে নাকি! সেই কাজী সাহেব এখন আবার এসে আপনাদের কাছে ভোট চায়, সুযোগ চায় কোন মুখে? 

কাজী জাফরউল্ল্যাহকে উদ্দেশ্য করে নিক্সন চৌধুরী আরো বলেন, ‌‘চাচা সাড়ে ৪ বছর এলাকায় আসে নাই। এবার আইসা বক্তব্যে খালি কয়—খেলা হবে, খেলা হবে। ১০ তারিখে প্রধানমন্ত্রীর জনসভার পর থেকে আর খেলা হবে কয় না। কারণ ওই দিন তিনি বুঝে গেছেন জনগণ কি চায়। ওই জনসভায় পুরো মাঠে ছিল নিক্সন-কর্মীরা। বাকী ৬ উপজেলা থেকে যে লোক আসছে, নিক্সন-কর্মীরাই ছিল তার থেকে কয়েক গুণ বেশি। এইটা তো প্রধানমন্ত্রী দেখে গেছেন। এজন্য চাচায় আর এখন খেলা হবে কয় না।’ 

Faridpur MP Nixon Pic 03(10-11-23)

উপস্থিত নারীদের উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘কোন ডাকাতকে ভয় পাবেন না। ব্রিজ হয়ে গেলে আমার বাড়ি যেতে আপনাদের সময় লাগবে ২ মিনিট। আপনাদের সব নিরাপত্তার দায়িত্ব আমার। এই এলাকায় মসজিদ আছে, মন্দির আছে। এসবের দায়িত্বও আমার। এইটা আমার এলাকা। এখানে কোন ডাকাত, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসীর স্থান হবে না।’ 

আলোচনা সভায় ভাঙ্গা উপজেলার চান্দ্রা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা হাজী আব্দুল খালেকের সভাপতিত্বে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শাহাদাৎ হোসেন, ভাঙ্গা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান হাবিবসহ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, জেলা ও উপজেলা যুবলীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।