সর্বনিম্ন তাপমাত্রা চুয়াডাঙ্গায়

চুয়াডাঙ্গায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে।

শুক্রবার (১৫ ডিসেম্বর) সকাল নয়টার দিকে জেলায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয় ১০ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৭ শতাংশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আবহাওয়াবিদ আবদুর রহমান।

শীতের দাপটে নিম্ন-আয়ের মানুষ কাজে বের হতে পারছে না। ছবি: ইত্তেফাক

এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার তাপমাত্রা ছিল ১০ দশমিক ৮ ডিগ্রি।

কমেনি দাপুটে শীত
রাত থেকে সকাল পর্যন্ত এলাকায় ঘন কুয়াশা দেখা গেছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূর্যের দেখা মিললেও দাপুটে শীত কমেনি। এতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন এলাকার বাসিন্দারা। তীব্র শীতে হাসপাতালগুলোতে ঠাণ্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। বিশেষ করে নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট, ডায়রিয়া বা উদরাময়সহ বিভিন্ন রোগে ভুগে হাসপাতালে আসছে শিশু ও প্রবীণরা।

শীত থেকে বাঁচতে দুপুরেও গরম পোশাক পরে থাকছেন স্থানীয়রা। ছবি: ইত্তেফাক

গত ১০ দিনে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে শিশুসহ এক হাজারের বেশি রোগী ঠাণ্ডাজনিত কারণে বহির্বিভাগে চিকিৎসা নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোহা. আতাউর রহমান।

জেলা শহরের এক হোটেল কর্মচারী রবিন বলেন, ‘সকাল থেকেই হোটেলে কাস্টমারের চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এ কারণে ভোরেই কাজে চলে আসতে হচ্ছে। পানিতে হাত দিলে মনে হচ্ছে হাত অবশ হয়ে যাচ্ছে। আঙুল নাড়ানো যাচ্ছে না। তারপরও কাজ করছি। ঠাণ্ডার ভয় করলে মালিক মজুরি দেবে না।’

চুয়াডাঙ্গা জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যালয় সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণভাণ্ডার থেকে ১৭ হাজার ৬৫০টি কম্বল বরাদ্দ পাওয়া গেছে। এসব কম্বল বিতরণে সদরে ৩ হাজার ৬৯৫টি, আলমডাঙ্গায় ৬ হাজার ৫৬৫টি, দামুড়হুদায় ৩ হাজার ৬৯৫টি ও জীবননগরে ৩ হাজার ৬৯৫টি বরাদ্দ বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।