মাদারীপুর ভূমি অফিসের সেবায় খুশি এলাকাবাসী

মাদারীপুর ভূমি অধিগ্রহণ (এলএ) শাখার কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সেবায় খুশি সেবা নিতে আসা প্রতিটি মানুষ। মাদারীপুর ভূমি অধিগ্রহণ (এলএ) শাখা ঘুরে দেখা যায়, অন্যায়-অনিয়ম, ঘুষ-দুর্নীতি রুখতে কঠোর ব্যবস্থাসহ সেবা প্রদানের লক্ষ্যে তৃতীয় তলায় ফ্লোর ম্যাপ, প্রজেক্টর, সিসি ক্যামেরা, সহায়তা কেন্দ্র, মন্তব্য রেজিস্ট্রার, জনগণের বসার স্থান ও মুক্তিযোদ্ধাদের আলাদা বসার জায়গা ব্যবস্থা করা হয়েছে। 

সেবা নিতে আসা একাধিক ব্যক্তির সাথে কথা হলে তারা বলেন, ভূমি অধিগ্রহণ (এলএ) শাখার কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা কোন প্রকার হয়রানি ছাড়া দ্রুত আমাদের কাজ করে দিয়েছে। বিশেষ করে ভূমি অধিগ্রহণ (এলএ) শাখার সার্ভেয়ার মো. শহিদুল ইসলাম খুব ভালো মনের মানুষ । সেবা নিতে আসা প্রতিটি মানুষের সাথে ভালো ব্যবহার করছে । 

ক্ষতিপূরণের চেক পাওয়া এক ভূমি মালিকের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, একটা সময় জমির ক্ষতিপূরণের চেকের জন্য দালালসহ বিভিন্ন জায়গায় ছোটাছুটি করতে হয়েছে। এতে আমাদের অনেক সময় ও অর্থের অপচয় হয়েছে। এখন আর সেই হয়রানি নেই। উপজেলা থেকেই আমার জমির ক্ষতিপূরণের চেক পেয়েছি। এটা সম্ভব হয়েছে মাদারীপুর জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মারুফুর রশিদ খান স্যারের জন্য।

মাদারীপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ভূমি অধিগ্রহণ (এলএ) শাখার কর্মকর্তা মাহবুবা ইসলাম বলেন, আগে মানুষের মাঝে এলএ শাখার সম্বন্ধে একটা অস্বাভাবিক ধারণা ছিল। এখন মানুষের মাঝে সেই ধারনাটা নেই বললেই চলে। কোনো প্রকার হয়রানি ছাড়াই আমরা ক্ষতি গ্রস্তদেরকে সেবা দিয়ে যাচ্ছি।
ভবিষ্যতেও আর্থিক লেনদেন ছাড়াই সঠিক সেবা পাওয়ার আশ্বাস দেন এই কর্মকর্তা ।

মাদারীপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ঝোটন চন্দ বলেন, অধিগ্রহণে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি জমির প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এলএ শাখায় যোগাযোগ করার পর উপজেলায় গিয়ে তাদের হাতে চেক তুলে দেওয়া হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ভূমি মালিককে কোনো প্রকারের দুর্নীতি ও হয়রানির শিকার না হতে হয় সেজন্য জেলা প্রশাসন থেকে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।