শেখ রাসেল জিতলেও লাল কার্ড পেলেন কোচ

প্রিমিয়ার ফুটবলে বসুন্ধরা গ্রুপের অর্থায়নে চলে বসুন্ধরা কিংস। তাদেরই সরাসরি অর্থায়নে আরও দুটি দল পরিচালিত হয়, একটি শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব এবং দ্বিতীয়টি শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র। গতকাল দুপুরে জামাল-রাসেলের প্রথম ম্যাচ ছিল বসুন্ধরা কিংসের মাঠে। সেখানে কাল উত্তেজনার লড়াই হয়েছে। শেখ রাসেল ২-১ গোলে হারিয়েছে শেখ জামালকে। 

ম্যাচে ছয়টি হলুদ কার্ড একটি লাল কার্ড হয়েছে। ছয় হলুদ কার্ডের মধ্যে পাঁচটি শেখ রাসেলের ঘরে,একটি জামালের ঘরে। জামালের ডিফেন্ডার মাহমুদুল হাসান কিরন লাল কার্ড পেয়েছেন ম্যাচের প্রথমার্ধের শেষ বাঁশির ক্ষণে। এর আগেই ১-০ গোলে পিছিয়ে ছিল শেখ জামাল। ছয় মিনিটে বুরুন্ডির ফুটবলার সোলেমানি ল্যান্ডি এনডিকুমানা গোল করে এগিয়ে দিয়েছিলেন। দ্বিতীয়ার্ধে ১০ জনের শেখ জামালের জালে গোল পেতে খুব বেশি সময় নিতে হয়নি। 

দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরু হওয়ার চার মিনিটের মধ্যেই দ্বিতীয় গোল পায় শেখ রাসেল। নাইজেরিয়ান ডিফেন্ডার আতান্দা ওগুনবে গোল করেন, ২-০। ১০ জন নিয়েও শেখ জামাল ১০ মিনিটের মধ্যে গোল শোধ করেছিল। ব্যবধান কমিয়েছিল। উজবেকিস্তানের ফুটবলার শেখরুভবেক কলমাতভ গোল করে আশা জাগালেও ড্রয়ের পথ স্পর্শ করতে পারেনি শেখ জামাল। এই দলের সম্পাদক মেহেরাব আলম চৌধুরী লাল কার্ড ইস্যুতে বললেন, ‘এটা ফেয়ার লাল কার্ড হয়েছে। লাস্টম্যান ছিল টেনে ফেলে দিয়েছে।’

রেফারি সায়মন হাসানকে এই ম্যাচ চলাতে গিয়ে হিমশিম খেতে হয়েছে। গোল শোধের চেষ্টায় ব্যর্থ হয় শেখ জামাল। রেফারির সিদ্ধান্ত অনেক সময় পছন্দ হয়নি শেখ রাসেলের উত্তর মেসিডোনিয়ান কোচ জুগোস্লাভ ট্রেনসোভাস্কির। খেলার শেষ মুহূর্তে গিয়ে এই কোচের জন্য রেফারি তার পকেট থেকে লাল কার্ড বের করে দেখিয়েছেন। সঙ্গে দলের ফিজিও নুজাইম খান প্রান্তকে হলুদ কার্ড দিয়েছেন। ম্যাচটা শেষ করে হাঁফ ছেড়ে বেঁচেছেন রেফারি। শেখ রাসেলের খেলোয়াড়রা জয়ের আনন্দে উল্লসিত, অন্য প্রান্তে শেখ জামালের খেলোয়াড় বসে ছিলেন, কেউ দাঁড়িয়ে ছিলেন। তবে মোদ্দা কথা হচ্ছে—দুই দলেরই রোষানল ছিল রেফারি সায়মন হাসানের দিকে।