ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, হামাসকে ধ্বংস করে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডকে নিরস্ত্রীকরণ না করলে ও ফিলিস্তিনি সমাজকে ‘কট্টর মৌলবাদী চিন্তা’ থেকে বেরিয়ে না আনলে গাজায় শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।
যুদ্ধ জোরদার করার হুঁশিয়ারির পর এমন মন্তব্য করলেন তিনি। এক প্রতিবেদনে নেতানিয়াহুর এ মন্তব্যের খবর প্রকাশ করেছে বার্তা সংস্থা এএফপি।
বড়দিনের প্রাক্কালে গাজার এক শরণার্থী শিবিরে হামলায় পরিবারের সবার নিহত হওয়ার ‘বিভীষিকাময়’ বর্ণনা তুলে ধরে সোমবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) প্রতিবেদন প্রকাশের পর এ মন্তব্য করলেন নেতানিয়াহু।
হামাসকে অবশ্যই ধ্বংস করতে হবে, গাজাকে অবশ্যই নিরস্ত্রীকরণ করতে হবে ও ফিলিস্তিনি সমাজকে অবশ্যই ‘কট্টর মৌলবাদী চিন্তা’ থেকে মুক্ত করতে হবে। গাজায় ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনি প্রতিবেশিদের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য এই তিনটি পূর্বশর্ত
- বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু
প্রধানমন্ত্রী, ইসরায়েল
একের পর এক ইসরায়েলি হামলায় ফিলিস্তিনকে ধ্বংসস্তুপে পরিণত করেছে ইসরায়েল। সেই সঙ্গে হামাসের সঙ্গে সংঘাতের কারণে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। এর ফলে যুদ্ধবিরতি পালনের বৈশ্বিক চাপ ক্রমেই বাড়ছে।
এদিকে সোমবার রাতে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, নেতানিয়াহু হামাসকে সমূলে ধ্বংস করতে যুদ্ধ আরো জোরদারের প্রতিশ্রুতি দেন।
নেতানিয়াহু বলেন, হামাসকে অবশ্যই ধ্বংস করতে হবে, গাজাকে অবশ্যই নিরস্ত্রীকরণ করতে হবে ও ফিলিস্তিনি সমাজকে অবশ্যই ‘কট্টর মৌলবাদী চিন্তা’ থেকে মুক্ত করতে হবে। গাজায় ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনি প্রতিবেশিদের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য এই তিনটি পূর্বশর্ত।
তিনি বলেন, নিরস্ত্রিকরণের জন্য এ অঞ্চল ‘পরিসীমায় একটি অস্থায়ী নিরাপত্তা জোন প্রতিষ্ঠার প্রয়োজন হবে। অদূর ভবিষ্যতের জন্য ইসরায়েলকে গাজার উপর কঠোর নিরাপত্তার দায়িত্ব বজায় রাখতে হবে।’
এরআগে সোমবার নেতানিয়াহু গাজা উপত্যকা পরিদর্শন করে ফিরে আসার পর তার লিকুদ পার্টির এক বৈঠকে বলেন, গাজায় ‘আমরা থামছি না।’
লিকুদ পার্টির দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘আগামী দিনগুলোতে আমরা সেখানে যুদ্ধ আরো জোরদার করতে যাচ্ছি।’