শ্রম আইন লঙ্ঘনের দায়ে সাজাপ্রাপ্ত নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের শক্ত ভিত্তি আছে। রায়ের বিরুদ্ধে তার উচ্চ আদালতে যাওয়ার সুযোগ আছে। শ্রম অধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে নিয়ে আদালত ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে যে রায় প্রদান করেছেন সেটি দেশে আইনের শাসনের আরেকটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীতে ‘একজন ড. মুহাম্মদ ইউনুস’ শীর্ষক সেমিনারে এসব কথা বলেন আলোচকরা।
ক্যাম্পেইন অ্যাডভোকেসি প্রোগ্রামের (ক্যাপ) তত্ত্বাবধায়নে আয়োজিত এ সেমিনারে বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক মুহাম্মদ শাহাদাত হোসেন সিদ্দিকী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ মঈন উদ্দিন এবং একাত্তর টেলিভিশনের বার্তাপ্রধান শাকিল আহমেদ। সঞ্চালনা করেন ক্যাপের ইলেকশন এক্সপার্ট এবং রিসার্চ টিমের সদস্য কামরুল হাসান।
আলোচনায় অধ্যাপক মাঈন উদ্দিন বলেন, সব ধরনের আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই ড. ইউনূসের মামলার রায় দেওয়া হয়েছে। শক্তিশালী সাক্ষ্য ছাড়া এত বড় মানুষের বিরুদ্ধে মামলা করার সাহস কে রাখে? অবশ্যই তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের শক্ত ভিত্তি আছে। যদি মনে করেন তিনি ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন তাহলে উচ্চ আদালতে যাওয়ার পথ খোলা আছে।
অধ্যাপক শাহাদাৎ হোসেন সিদ্দিকী বলেন, ড. ইউনূস সবসময় তার নিজের শেকড় ভুলে যান। এজন্যই তিনি পদ্মাসেতু ইস্যু বা রাজনীতি ইস্যুতে দেশের স্বার্থের বিপরীতেই থাকেন। দেশে গ্রামীণ ব্যাংক অথবা ক্ষুদ্র ঋণের মাধ্যমে দারিদ্রতার হার কমেছে, এরকম কোন বিষয় আজও কেউ পরিষ্কার গবেষণা করে বলতে পারেনি।
শাকিল আহমেদ বলেন, ঋণ অনুমোদনের শেষ মুহূর্তে ড. ইউনূস তার বিদেশ বন্ধুদের ব্যবহার করে পদ্মা সেতুর অর্থায়ন বন্ধ করে দেন। সরকারকে শর্তারোপ করেন তাকে গ্রামীণ ব্যাংকে পূণঃবহাল করতে হবে। অত্যন্ত সম্মানিত ব্যক্তি হয়েও তিনি তার ব্যক্তি স্বার্থে নিজস্ব ইমেজকে ক্ষুণ্ণ করেছেন।