মাদারীপুরে তিনটি আসনেই ভোটের মাঠ সরগরম

মাদারীপুরে ভোটের মাঠ শেষ মুহূর্তে সরগরম হয়ে উঠেছে। প্রার্থী, কর্মী, সমর্থকরা শহর, গ্রাম চষে বেড়াচ্ছে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রবাসী ইতিমধ্যেই নিজ নিজ এলাকায় পৌঁছেছে। নতুন ভোটারসহ তরুণরা এবার নির্বাচনে ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়াবে এবং কালকিনিতে পালটে যেতে পারে ভোটের অঙ্ক—বলে এলাকার অনেকেই মনে করছে।

মাদারীপুর-১: এই আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তিন জন প্রার্থী। তারা হলেন—নৌকার শিবচর প্রার্থী ও ছয় বারের এমপি চিফ হুইপ বাংলাদেশ পার্লামেন্টারি পার্টির সম্পাদক নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটন, জাতীয় পার্টি থেকে মো. মোতাহার হোসেন সিদ্দিক (লাঙ্গল) ও বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের মো. তোফাজ্জেল হোসেন খান (ফুলের মালা)।

মাদারীপুর-২: এ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, সাবেক মন্ত্রী মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সংসদীয় কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শাজাহান খান এমপি। তিনি এই আসন থেকে আট বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জাতীয় পার্টির এ কে এম নুরুজ্জামান (লাঙ্গল), বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির ইউসুফ আলী সুমন (একতারা) ও বাংলাদেশ কংগ্রেস-এর সুবল চন্দ্র মজুমদার (ডাব)।

মাদারীপুর-৩: এই আসনে নৌকা প্রতীক নিয়ে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ও বর্তমান এমপি মো. আবদুস সোবাহান মিয়া গোলাপ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। অন্য প্রার্থীরা হলেন—সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি ও কালকিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি স্বতন্ত্র প্রার্থী (ঈগল) মোসা. তাহমিনা বেগম, জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ আব্দুল খালেক (লাঙ্গল), গামছা প্রতীক নিয়ে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের বিশিষ্ট কণ্ঠশিল্পী নকুল কুমার বিশ্বাস এবং নিতাই চক্রবর্তী (বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি)। এই আসনে নৌকা ও ঈগল প্রতীকের প্রচার-প্রচারণা তুঙ্গে। স্থানীয়দের অনেকেই বলেছেন এই আসনে ভোটের অঙ্ক পালটে যেতে পারে।