অতিরিক্ত শুল্ককর বৃদ্ধি

তামাবিল স্থলবন্দরে পাথর আমদানি-রপ্তানি বন্ধ

ভারতীয় আমদানিকৃত পাথরের ওপর জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) অতিরিক্ত শুল্কায়ন মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে গোয়াইনঘাট উপজেলাস্থ জাফলংয়ের তামাবিল স্থলবন্দর দিয়ে তিন দিন যাবত সকল প্রকার পাথর আমদানি-রপ্তানি বন্ধ রয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ভারত থেকে আমদানিকৃত পাথরের ওপর সরকারি অতিরিক্ত শুল্কায়ন মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ জানিয়ে তামাবিল স্থলবন্দরের ব্যবসায়ীরা ভারত থেকে পাথর আমদানি বন্ধ করে দিয়েছেন।

তামাবিল স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক ব্যবসায়ীরা গত ৮ জানুয়ারি থেকে ভারতীয় পাথর আমদানি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। বুধবার সরেজমিনে দেখা গেছে, তামাবিল স্থলবন্দর দিয়ে পাথরবোঝাই কোনো ভারতীয় ট্রাক বাংলাদেশে প্রবেশ করেনি। কারণ জানতে চাইলে স্থানীয়রা জানান, তিন দিন যাবত পাথর আমদানি বন্ধ রয়েছে। এতে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

তামাবিল চুনাপাথর, পাথর ও কয়লা আমদানিকারক গ্রুপের সভাপতি এম লিয়াকত আলী বলেন, তামাবিল চুনাপাথর, পাথর ও কয়লা আমদানিকারক গ্রুপের জরুরি সভায় সব আমদানি-রপ্তানি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তিনি আরও জানান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ভারত থেকে পাথর ও চুনাপাথর আমদানির ওপর অ্যাসেসমেন্ট ভ্যালু প্রতি মেট্রিক টনে অতিরিক্ত মূল্য বৃদ্ধি করেছে। অতিরিক্ত শুল্ক দিয়ে পণ্য আমদানি করতে হলে আমদানিকারক ব্যবসায়ীরা ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়বেন। তাই তামাবিলসহ সিলেটের সবকটি বন্দর ও শুল্ক স্টেশন দিয়ে পাথর ও চুনপাথর আমদানি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সিলেট অঞ্চলের স্থলবন্দরগুলোতে ভারত থেকে আমদানি করা বোল্ডার স্টোন প্রতি টন ১৩ ডলার, স্টোন চিপস প্রতি টন ১৪ ডলার এবং লাইমস্টোন প্রতি টন ১৩.৫০ ডলার নতুন করে পাথরের ওপর অতিরিক্ত শুল্কায়ন মূল্য বৃদ্ধিসংক্রান্ত সিলেট কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট গত ৪ জানুয়ারি এক আদেশে ৮ জানুয়ারি থেকে ঐ হারে শুল্কায়ন মূল্য কার্যকর হওয়ার কথা ছিল।