মাঠে গড়িয়েছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) দশম আসর। উদ্বোধনী ম্যাচেই হ্যাটট্রিক করেছেন ‘দুর্দান্ত ঢাকা’র পেসার শরিফুল ইসলাম। এটা বিপিএল ইতিহাসে সপ্তম হ্যাটট্রিক। একমাত্র খেলোয়াড় হিসেবে অভিষেক ম্যাচে হ্যাটট্রিক করেছেন আলিস ইসলাম।
শুক্রবার (১৯ জানুয়ারি) মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এ রেকর্ড গড়েন তিনি।
এদিন বিপিএলের দশম আসরের প্রথম ম্যাচের প্রথম ইনিংসে ১৯ ওভার পর্যন্ত কুমিল্লার রান ছিল ৩ উইকেট ১৩১। ওভার প্রতি ইমরুল কায়েস ও তাওহিদ হৃদয়রা ৭ রান করেও তুলতে পারেননি। শেষ ওভারের প্রথম তিন বলে দুই ছক্কা হজম করা শরিফুল শেষ ৩ বলে তুলে নেন ৩ উইকেট। ইনিংসের শেষ তিন বলে একে একে ফেরালেন খুশদিল শাহ, রোস্টন চেজ ও মাহিদুল ইসলামকে।
প্রথম বোলার হিসেবে বিপিএলে হ্যাটট্রিক করেছিলেন পাকিস্তানের মোহাম্মদ সামি। প্রথম মৌসুমেই ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্সের বিপক্ষে টানা তিন বলে তিন উইকেট নেন দুর্দান্ত রাজশাহীর এই বোলার। তার শিকারে পরিণত হন ড্যারেন সামি, আফতাব আহমেদ ও নাভিন উল হাসান।
২০১৫ সালে সিলেট সুপার স্টার্সের বিপক্ষে বরিশাল বুলসের হয়ে হ্যাটট্রিক করেন আল আমিন হোসেন। তিনি শিকার করেন রবি বোপারা, নুরুল হাসান ও মুশফিকুর রহিমের উইকেট। আলিস ইসলাম ২০১৯ সালে অভিষেক ম্যাচেই মোহাম্মদ মিটুন, মাশরাফী মোর্ত্তজা ও ফরহাদ রেজার উইকেট পান।
২০১৯ সালের আসরে আলিসেরটি বাদেও আরও ২টি হ্যাটট্রিক হয়। এরমধ্যে কুমিল্লার ওয়াহাব রিয়াজ খুলনার ডেভিড ভিসে, তাইজুল ইসলাম, ও সাদ্দাম তামিমের উইকেট শিকার করেন। ঢাকা ডায়নামাইটসের আন্দ্রে রাসেল চট্টগ্রাম ভাইকিংসের বিপক্ষে মুশফিকুর রহিম, ক্যামেরন ডেলপোর্ট ও দাসুন শানাকার উইকেট পান।
২০২২ সালে ষষ্ঠ হ্যাটট্রিকটি করেন চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী। তিনি টান তিন বলে নেন এনামুল হক, মোসাদ্দেক হোসেন ও রবি বোপারার উইকেট।