খাগড়াছড়ির মহালছড়িতে কেঙ্গালছড়ি-দুরছড়ি এলাকায় আজ বুধবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে ইউপিডিএফ ও গণতান্ত্রিক ইউপিডিএফের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে দুজন নিহত ও আরও একজন আহতের খবর এসেছে। আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়েছে।
নিহতরা হলেন রবি কুমার চাকমা (৬৫) ও শান্ত চাকমা ওরফে বিমল (৫২)। অন্যদিকে আহত একজনের পরিচয় রহিন্ত চাকমা ওরফে টিপুন (৩২)। জানা গেছে, তারা তিনজনই প্রসীতপন্থী ইউপিডিএফের কর্মী।
স্থানীয়রা জানায়, পার্বত্য চট্টগ্রামের একাধিক আঞ্চলিক সংগঠনের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসীরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে। এর আগে একাধিকবার চাঁদাবাজি, সংঘর্ষ ও অপহরণের ঘটনা ঘটেছে।
খাগড়াছড়ি পুলিশ সুপার মুক্তা ধর মোবাইল ফোনে ইত্তেফাককে বলেন, ‘এ ঘটনা জানতে পেরে মহালছড়ি থানার ওসির নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছে।’
মহালছড়ি থানার ওসি মো. নাসির উদ্দিন বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছে পুলিশ। তবে এলাকা দুর্গম হওয়ায় পুলিশ এখনও (এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত) ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারেনি। সেখান থেকে তারা ফিরে এলে বিস্তারিত জানা যাবে।’
এ হামলাকে ‘কাপুরুষোচিত’ ও ‘ন্যাক্কারজনক’ উল্লেখ করে নিন্দা জানিয়ে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) খাগড়াছড়ি জেলা ইউনিটের সংগঠক অংগ্য মারমা বলেন, ‘আজ বুধবার জেলার মহালছড়িতে গণতান্ত্রিক ইউপিডিএফ নামে একটি সংগঠনের সদস্যরা তাদের নেতাকর্মীদের ওপর গুলিবর্ষণ শুরু করে। এতে দুজন নিহত এবং রহিন্তু চাকমা ওরফে টিপন (৩২) নামে আরেকজন আহত হয়েছেন।’