পিরোজপুরে শেখ মামুন (৩৫) নামে এক যুবলীগ নেতাকে পায়ের রগ কেটে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। রোববার (২৮ জানুয়ারি) রাতে উপজেলার টগড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহত শেখ মামুন সদর উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। তিনি পিরোজপুর পৌর এলাকার শিকারপুর পালপাড়ার মো. শাহ আলম শেখের ছেলে।
জানা যায়, রোববার রাতে ইন্দুরকানী থেকে পিরোজপুরের বাসায় ফেরার পথে টগড়া এলাকার শেখ ফজলুল হক মনি সেতুর টোল প্লাজায় পৌঁছলে মামুনকে দুর্বৃত্তরা তাকে ধাওয়া করে। এসময় তিনি পাশের একটি বাড়িতে দৌঁড়ে আশ্রয় নিতে গেলে সেখানে গিয়ে দুর্বৃত্তরা তাকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে এবং তার ডান পায়ের রগ কেটে দেয়।
পরে স্থানীয়রা মামুনকে উদ্ধার করে প্রথমে ইন্দুরকানী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে তার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান রাতেই তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
পিরোজপুর সদর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান বিপ্লব জানান, গত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মামুন স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি একেএমএ আউয়ালের সমর্থক ছিলেন। এ কারণেই মামুন রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের হামলার শিকার হতে পারে বলে ধারণা তার।
আহত মামুনের ভাগ্নে শেখ রাসেল জানান, তার মামার অবস্থা আশঙ্কাজনক। তিনি খুলনার একটি হাসপাতালে আইসিইউতে আছেন। দুর্বৃত্তরা মামুনের পায়ের রগ কেটে ফেলেছে। শরীরে ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
ইন্দুরকানী থানার ওসি মো. কামরুজ্জামান তালুকাদার জানান, আহত যুবলীগ নেতাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডেকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।