চার বন্ধুর ডিজিটাল উদ্যোগ ফ্যাশনেবল 'ফ্যাব্রিলাইফ'

আপনার হয়তো বাজেট ৪০০ টাকা, আপনি ৬০০ হলেও কিনবেন কিন্তু ১২০০ হলে কিনবেন না আবার ভালো মানের শার্ট কিংবা টিশার্টটা দরকার। এমন ব্রান্ডগুলোকে খুঁজে পাওয়াকে দুশ্চিন্তা হিসেবে তরুণ ক্রেতা ফাহিম ও সালেহীন বললেন, আমরা কোয়ালিটি ভালো ফ্যাশনেবল ট্রেন্ডি জিনিস চাই যেটা বাজেটের মধ্যে, কিন্তু টেনশনে থাকি সবসময়ই। এরকম মানুষদের কাছে এখন বিশ্বস্ততার নাম চার বন্ধু রিয়াদ চৌধুরী, মেজবা উল আলম, নাজমুস সাকিব ও সুহৃদ শায়ানের উদ্যোগ 'ফ্যাব্রিলাইফ'।  

করোনার কঠিন সময়ে ২০২০ সালে শুরু করা প্রতিষ্ঠানটির জনপ্রিয়তার অন্যতম মূল কারণ আরামদায়ক ও সুলভ মূল্যের পোশাকের প্রাপ্তি। অল্পসময়েই তারা অর্জন করেছে দারাজের নম্বর ওয়ান ই-কমার্স ফ্যাশন ব্র‍্যান্ডের খেতাবও। কর্পোরেট অর্ডার পাচ্ছেন প্রায়ই।

ক্রেতাদের এমন ঝামেলা থেকে মুক্ত করতে ও নিজেদের গ্রহণযোগ্যতা আরও বাড়িয়ে তুলতে তারা চালু রেখেছেন 'এক্সপেরিয়েন্স জোন'। অন্য শোরুমের মতো নয় এটি, বরং ফ্যাব্রিলাইফ অফিসেরই একটি অংশ। এখানে এসে ক্রেতারা ফ্যাব্রিলাইফের যেকোনো পণ্য যাচাই-বাছাই করে দেখতে ও কিনতে পারবেন। 

fabrilife 1

ক্রেতাদের সুবিধার জন্য আছে একটি ট্রায়াল রুমের ব্যবস্থা। ফ্যাব্রিলাইফ ব্র‍্যান্ডের মূল অফিসের (হেড কোয়াটার) পাশেই ছোট একটি জায়গায় এই এক্সপেরিয়েন্স জোন।অনলাইনে কেনাকাটা বেশ জমজমাট হলেও ক্রেতাদের মনে একটা ‘কিন্তু’ থাকে অনেক সময়। এই দ্বিধাদ্বন্দ্ব দূর করে তাদের নিয়মিত ক্রেতা করে নিতেই এই প্রচেষ্টা, জানালেন, ফ্যাব্রিলাইফের সহপ্রতিষ্ঠাতা রিয়াদ চৌধুরী।

তবে অনলাইনে ফ্যাব্রিলাইফের রয়েছে বড়সড় জনপ্রিয়তা, কর্পোরেট অর্ডারের পাশাপাশি প্রতিদিন একটা বড় সংখ্যার অর্ডার সরবরাহ করেন তাদের প্রশিক্ষিত ডিজিটাল টিম। তবে অনেকে ক্রেতাই আছেন যারা অনলাইনে পণ্য দেখে নিশ্চিন্ত হতে পারেন না, বরং সরাসরি দেখতে চান।