শ্রেষ্ঠ প্রযোজনা- নাট্যদল প্রাচ্যনাটের ‘অচলায়তন’, তাড়িুয়ার ‘আদম সুরত’, আরশিনগরের ‘সিদ্ধার্থ’।
শ্রেষ্ঠ নির্দেশক- আবুল কালাম আজাদ, বাকার বকুল, রেজা আরিফ।
শ্রেষ্ঠ নাট্যকার- বাকার বকুল, মুক্তনীল, শাহাদুজ্জামান।
শ্রেষ্ঠ অভিনেতা- খায়রুল আলম হিমু, প্রদ্যুৎ কুমার ঘোষ, রমিজ রাজু।
শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী- ফৌজিয়া করিম অনু, সঞ্জিতা শারমীন, সানজিদা প্রীতি।
শ্রেষ্ঠ মঞ্চ পরিকল্পক- আহম্মেদ অপু, চারু পিন্টু, মো. সাইফুল ইসলাম।
শ্রেষ্ঠ আলোক পরিকল্পক- অনিক কুমার, মো. সাইফুল ইসলাম, হেনরি সেন।
শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিকল্পক- জনি সেন রুবেল, নীল কামরুল, সমুদ্র প্রবাল।
শ্রেষ্ঠ পোশাক পরিকল্পক- আফসান আনোয়ার, এনাম তারা সাকি, জিনাত জাহান নিশা ও নুসরাত জাহান জিসা।
২০২০ সালের ২০ জানুয়ারি হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান সাংস্কৃতিক আন্দোলনে সরব থাকা ইশরাত নিশাত। তাঁর স্মরণে ২০২২ সালে এই পুরস্কার প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
প্রয়াত অভিনেত্রী নাজমা আনোয়ারের মেয়ে ইশরাত নিশাত ঢাকার মঞ্চ নাট্যাঙ্গনে ‘বিদ্রোহী কণ্ঠ’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ইশরাত নিশাত ‘দেশ নাটক’ নাট্যদলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। মঞ্চে একাধারে অভিনেত্রী, নির্দেশক ও আবৃত্তিশিল্পী হিসেবে খ্যাতি ছিল তাঁর। তাঁর নির্দেশনায় ‘দেশ নাটকে’র প্রযোজনা ‘অরক্ষিতা’ প্রশংসিত হয়। নাসির উদ্দীন ইউসুফের আলোচিত ‘আলফা’ চলচ্চিত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন তিনি। অনেক নাটকে ও আবৃত্তি প্রযোজনায় মঞ্চ ও আলোক নির্দেশকের কাজ করে সংস্কৃতি অঙ্গনে তিনি নিজেকে করে তুলেছিলেন অনন্য।