নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন প্রবেশমুখে পণ্যবাহী ট্রাকে চাঁদা আদায়কালে হাতেনাতে ২৫ চাঁদাবাজকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১। রবিবার ১৩ জন চাঁদাবাজকে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানো ছাড়াও ১২ চাঁদাবাজকে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এই সময় তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ চাঁদাবাজির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। গতকাল সোমবার সকালে আদমজী র্যাব-১১-এর প্রধান কার্যালয় থেকে মিডিয়া অফিসার ও এএসপি সনদ বড়ুয়া এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।
বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—জুয়েল আহমেদ, শফিকুল ইসলাম, আব্দুর রহমান, আশরাফ উদ্দিন, খলিল, ওমর ফারুক, হাসান মাসুম, বিপ্লব খান, ফরহাদ, আসিফ, আতিকুর রহমান, মারুফ হোসেন এবং অর্থদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—কবির হোসেন, রানা, রাজিব, দিপু, সাদ্দাম হোসেন, সুমন খান লাল, আব্দুর রহমান মুন্না, সোহেল, আল আমিন, ইকবাল, রকিবুল হাসান ও রাসেল।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানান, সম্প্রতি পণ্যবাহী যানবাহনে চাঁদাবাজির কারণে অযৌক্তিক ও অস্বাভাবিকভাবে বাড়ছে নিত্যপণ্যের দাম। সড়ক-মহাসড়কে এসব বাড়তি খরচের খেসারত দিতে হচ্ছে সাধারণ ক্রেতাদের। ফলে ভরা মৌসুমেও কমছে না সবজির দাম। পণ্য পরিবহনে চাঁদাবাজির ঘটনা মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে প্রচার হওয়ায় এই সমস্যা সমাধানে চাঁদাবাজদের গ্রেফতারে নজরদারি বাড়ায় র্যাব-১১, নারায়ণগঞ্জ।
জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, তারা নারায়ণগঞ্জের প্রবেশমুখে বিভিন্ন সড়ক ও মহাসড়কে পণ্যবাহী গাড়িতে চাঁদাবাজি করে। তথাকথিত ইজারাদারদের নির্দেশে কয়েকটি গ্রুপে ভাগ হয়ে প্রতিরাতে নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় রাস্তার ওপর অবস্থান নেয়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে তারা চাঁদা আদায়ের রসিদও দেয়।