এখন আমি আগের চেয়ে ভালো আছি: কাজী সালাহউদ্দিন

বাফুফের সভাপতি কাজী সালাহউদ্দিন জার্মানি গেছেন। সেখানে তিনি এক মাস থাকবেন। ওপেনহার্ট সার্জারির পর বাসায় ছিলেন। ফলোআপ করার জন্য জার্মানিতে নিয়ে গেছেন তার মেয়ে কাজী সারাজিন। সালাহউদ্দিন মঙ্গলবার রাতে ঢাকায় ছেড়েছেন। সেদিনই দুপুরে ফোনে কথা হয়, অনেক দিন ধরেই ফোন ব্যবহার করছিলেন না। ডাক্তারের নিষেধ ছিল, পরিবার থেকেও বারণ করা হয়েছিল। শেষ দিকে এসে দুই-একটা ফোন রিসিভ করতেন। জার্মানিতে যাওয়ার আগে সালাহউদ্দিন জানালেন তিনি ভালো আছেন। 

ফোনের অপরপ্রান্ত হবে অনুমান করা যাচ্ছিল সুস্থ বোধ করছেন তিনি। সালাহউদ্দিন বললেন, ‘আগের চেয়ে এখন বেশ ভালো লাগছে। রাতে জার্মানিতে যাচ্ছি।’ সালাহউদ্দিনের কাছ থেকেই জানা গেল তিনি নিজের কাজ নিজেই করতে পারেন। হাঁটাচলাও স্বাভাবিক। ‘আগে যে ধরনের সমস্যা অনুভব করতাম, এখন সেগুলো নেই। সবদিক থেকেই ভালো অনুভব করছি, বললেন সালাহউদ্দিন।

সম্প্রতি ক্রীড়া মন্ত্রী নাজমুল হাসান পাপন গিয়েছিলেন সালাহউদ্দিনে বাসায়, তাকে দেখতে। সালাহউদ্দিন নিজেই দোতলা থেকে নেমে এসেছিলেন, পাপনের সঙ্গে কথা বলেছেন। জানা গেছে এক মাসের জন্য দেশের বাইরে থাকবেন তিনি। পরিবারের বাইরে ছাড়তে রাজি না তার স্ত্রী, মেয়ে এবং ছেলে।

গত ১৬ ডিসেম্বর হাসপাতালে ভর্তি হন সালাহউদ্দিন, ২৮ ডিসেম্বর তাকে ওপেনহার্ট সার্জারি করা হয়। এক সপ্তাহ পর বাসায় ফেরেন তিনি। টানা দেড় মাস বাসায় ছিলেন। জার্মানিতে থাকবেন আরও এক মাস। এত লম্বা সময় ঘরবন্দি থাকেন নি কখনো। ছুটে চলা এই মানুষটির জন্য ঘরবন্দি থাকাটা কঠিন। স্ত্রী ইমা, কন্যা কাজী সারাজিন, পুত্র কাজী শাফিল বাবাকে সুস্থ রাখতে চেষ্টা করে যাচ্ছেন। পরিবারের চাওয়াটা মেনে চলতে বাধ্য হচ্ছেন সালাহউদ্দিন।