সুন্দরবনে চরপাটা জালের অনুমতি বন্ধের প্রতিবাদে কাশিয়াবাদ ফরেস্ট স্টেশনের সামনে মানববন্ধন করে খুলনার কয়রা ও মহারাজপুর ইউনিয়নের বর্ডার সুতি বাজার এলাকার জেলেরা।
জানা গেছে, গত ১৯ ফেব্রুয়ারি সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগ ও বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ড. আবু নাসের মোহসিন হোসেন সুন্দরবন পশ্চিম বিভাগের কোনো স্টেশনে যেন খালপাটা ও চরপাটা জালের পাশ না দেওয়ার ঘোষণা দেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, কোনোরকম পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই সুন্দরবনের পশ্চিম বন বিভাগের চরপাটা ও খালপাটা জালের পাস বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তা ছাড়া সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগে চরপাটা জালের পারমিট চালু রয়েছে। একইবনে দুই রকম নিয়ম চলতে পারে না। এটা বন কর্মকর্তাদের মনগড়া সিদ্ধান্ত। যা সাধারণ বনজীবীদের পথে বসাবে। তাই বন কর্মকর্তাদের কাছে আমাদের দাবি অবিলম্বে সুন্দরবনের চরপাটা জালের অনুমতি দিতে হবে।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন কয়রা সদর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান এসএম লুৎফর রহমান, মহারজপুর ইউনিয়নের ইউপি সদস্য আবু সাঈদ, উত্তর বেদকাশি ইউনিয়নের ইউপি সদস্য মো. রেজাউল করিম, ইউপি সদস্য মুর্শিদা খাতুন, শ্রমিক লীগের কয়রা উপজেলার সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম, ৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি বাসার সানাসহ অনেকে।
কাশিয়াবাদ ফরেস্ট স্টেশন কর্মকর্তা (এসও) নির্মল কুমার বলেন, এক বছর আগে মৎস্য অধিদপ্তর থেকে জেলেদের চরপাটা জাল ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। এ নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে অনেক জেলে গোপনে জাল দিয়ে মাছ শিকার করে আসছিলেন। গত ২১ ফেব্রুয়ারি ঊর্ধ্বতন বন কর্মকর্তাদের নির্দেশে তাদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করা হয়েছে।