উত্তরা ও দক্ষিণখানে রাজউকের অভিযান, কাজী কিচেন বন্ধ জরিমানা  

রাজধানীর উত্তরায় ও দক্ষিণখান এলাকায় রেস্টুরেন্টে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন রাজউকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আমিনুল ইসলাম। দক্ষিণখানের আশকোনা এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শারমিন আরা।

বৃহস্পতিবার (১৪ মার্চ) সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) জোন-২/১ এবং  রাজউক জোন-৪/৩ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। উত্তরা সেক্টর-১১ কাজী কিচেনকে সিলগালা করা হয়। এছাড়াও দক্ষিণখানে নির্মানাধীন ০২(দুইটি) ভবনে নকশা বর্হিভূত অংশ অপসারণ এবং কয়েকটি রেস্টুরেন্টকে মুচলেকা নিয়ে সতর্ক করা হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আমিনুল ইসলাম বলেন, কয়েকটি ভবনের অভিযান পরিচালনা সময় ভবন মালিকরা তারা রাজউকের অনুমোদিত নকশা দেখাতে পারেননি। এ কারণে তাদের কাছ থেকে নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামা নেওয়া হয় যাতে পরে অনুমোদনের কাগজ দেখাতে পারেন। এছাড়াও কাজি কিচেন রেস্টুরেন্টে সিলগালা করা হয়। অভিযানের চারটি প্রতিষ্ঠানকে মোট দুই লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়। সেই সাথে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে কার পার্কিংয়ের জায়গা খালি করার জন্য মুচলেকা নেওয়া হয়।

দক্ষিণখানে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শারমিন আরা বলেন, নকশা বহির্ভূত কয়েকটি বহুতল ভবনের আংশিক অপসারণসহ তাৎক্ষণিক ভাবে দুইটি ভবনে মোট পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। নকশা বহির্ভূত নির্মাণাধীন ভবনগুলোর সেটব্যাক ও ভয়েড এ ব্যতয় পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে সতর্ক করে কাজ বন্ধ করে দেয়া হয়। একই সঙ্গে তারা যেন পরবর্তীতে রাজউকের অনুমোদিত নকশা মেনে ইমারত নির্মাণ করে সে বিষয়ে মুচলেকা নেওয়া হয়।

উত্তরায় উচ্ছেদ অভিযানে সময় উপস্থিত ছিলেন রাজউক জোন- ২/১ এর অথরাইজড অফিসার প্রকৌশলী পলাশ সিকদার, সহকারি অথরাইজড অফিসার সাবা তাসনিম, প্রধান ইমারত পরিদর্শক ফজলুল হক, মো. আবু হেনা, ইমারত পরিদর্শক আমিন কবিরসহ রাজউকের কর্মকর্তারা।

এছাড়াও দক্ষিণখানে উচ্ছেদ অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন রাজউক জোন ৪/৩ এর অথরাইজড অফিসার মো: হাসানুজ্জামান, সহকারি অথরাইজড অফিসার জনাব মতিউর রহমান ও ফারাহ, প্রধান ইমারত পরিদর্শক আবু শামস রাকিব ও শাহজাহান, ইমারত পরিদর্শ নির্মল মালোসহ রাজউকের কর্মকর্তারা।