ইন্দোনেশিয়ায় রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নৌকাডুবি, নিহত অন্তত ৫০

ইন্দোনেশিয়ার উত্তরাঞ্চলীয় উপকূল থেকে প্রায় ১৯ কিলোমিটার দূরে কয়েক ডজন রোহিঙ্গা মুসলিম শরণার্থী পরিবহনকারী একটি কাঠের নৌকা ডুবে গেছে। যাত্রীদের মধ্যে মাত্র ৬ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে, বাকিরা সাগরের স্রোতে ভেসে গেছেন। নৌকাটিতে প্রায় ১৫০ জন রোহিঙ্গা যাত্রী ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

স্থানীয় সময় বুধবার (২০ মার্চ) সকালে এই ঘটনা ঘটে। খবর আলজাজিরার। 

জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার (ইউএনএইচসিআর) প্রতিনিধি ফয়সাল রহমান জানিয়েছেন, উদ্ধারকৃতরা বলেছেন অনেকেই ডুবে গেছেন।  আমরা হতাহতের সঠিক সংখ্যা নিশ্চিত করে বলতে পারছি না। তবে উদ্ধার হওয়া ছয়জনের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, অনেকেই মারা গেছেন। প্রায় ৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করছেন তারা।

শরণার্থীরা পূর্ব দিকে যাত্রাকালে নৌকাটি ফুটো হতে শুরু করে এবং জোয়ারের ঢেউ তাদের আচেহ প্রদেশের কুয়ালা বুবোন সমুদ্র সৈকতের দিকে ঠেলে দেয়। 

পশ্চিম আচেহ’র মৎসজীবী সমাজের সেক্রেটারি জেনারেল পাওয়াং আমিরুদ্দিন এক বিবৃতিতে বলেন, বুধবার ইন্দোনেশিয়ার ন্যাশনাল সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ এজেন্সি থেকে একটি অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী নৌকা পাঠানো হয়েছে। রাতে তারা রোহিঙ্গা নৌকা খুঁজে পেয়েছে কি না সে বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

বাংলাদেশের শরণার্থী শিবির থেকে শরণার্থীদের বহনকারী কাঠের নৌকাগুলি প্রায়শই খারাপ অবস্থায় থাকে এবং ভিড় থাকে। এগুলোতে কেবলমাত্র মৌলিক সুবিধা থাকে। 

২০২৩ সালের আগস্টে, বঙ্গোপসাগরে নৌকা ডুবে ১৭ জন রোহিঙ্গা শরণার্থী মারা যায়।