রায়পুরে ভয়াবহ লোডশেডিং ভোগান্তিতে লক্ষাধিক গ্রাহক

রায়পুর শতভাগ বিদ্যুতায়িত একটি উপজেলা। উপজেলায় প্রায় ৫ লাখ লোকের বসবাস এবং ১ লাখ ৮ হাজার বিদ্যুতের গ্রাহক রয়েছেন। গত এক সাপ্তাহ যাবত ভয়াবহ লোডশেডিংয়ের কবলে ভোগান্তিতে পড়েছেন লক্ষাধিক গ্রাহক। দিনে ১০-১৫ বার বিদ্যুত যাওয়া-আসা করায় ব্যবসায়ীও বিপাকে পড়েছেন।  

শহরের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রোজার শেষের দিকে এসে এই বিদ্যুত বিপর্যয়ে ঈদ মার্কেটেও প্রভাব পড়েছে। সাধারণত ইফতারের পর থেকে সেহরির আগ পর্যন্ত শপিংমল, মার্কেটগুলোতে ঈদের কেনাকাটা চলে বেশি। এর মধ্যেই বিদ্যুতের আসা যাওয়া চলছে। এতে আইপিএস ব্যাটারি ঠিকমতো চার্জফুল করতে যথাযথ সময় পাচ্ছে না। জেনারেটর চালাতে সময় নিচ্ছে মোটামুটি। বিদ্যুতের এই আসা যাওয়ার খেলার মধ্যকার সময়ে দোকানি-ক্রেতা উভয়েই অতিষ্ঠ। এতে ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছে সর্বস্তরের জনগণ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তীব্র নিন্দা আর ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটাচ্ছেন অনেকেই। এদিকে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের একাধিক নেতা সরকারের বদনামের উদ্দেশ্যে পরিকল্পিত লোডশেডিং করানো হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন।

রায়পুর পৌরসভা পানি সরবরাহ শাখা সূত্রে জানা গেছে, অব্যাহত লোডশেডিংয়ের কারণে পৌরসভার ট্যাংকে পানি তোলা যাচ্ছে না। ফলে গ্রাহকদের নিরবচ্ছিন্নভাবে পানি সরবরাহ করা যাচ্ছে না। এতে পৌরসভার ৫০ হাজার মানুষ পানির কষ্টে ভুগছেন। 

রায়পুর পল্লী বিদ্যুত কার্যালয়ের উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) শাহাদাত হোসেন বলেন, রায়পুরে ১ লাখ ৮ হাজার গ্রাহক রয়েছে। চাহিদার তুলনায় অর্ধেকেরও কম বিদ্যুত্ সরবরাহ দিচ্ছে কর্তৃপক্ষ। তাই কখনো কখনো চার থেকে ছয় ঘণ্টা লোডশেডিং দেওয়া হচ্ছে।