অবশেষে স্থায়ী ঠিকানা হলো আবুল হাসেমের

আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর পেলেন ভ্যান চালক আবুল হাসেম। সম্প্রতি কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের নির্দেশে ঘর বুঝিয়ে দেন সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবাইয়া খানম।

যমজ তিন সন্তানসহ চার সন্তান নিয়ে হাসেমের সংসার চলে ভ্যানের প্যাডেল ঘুরিয়ে। ভাঙা জীর্ণশীর্ণ ঘরে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে বাস করতেন। সন্তান নিয়ে সেখানে থাকতে খুব কষ্ট হতো তার। উপরন্তু সংসারে ছিল তীব্র অভাব। আবুল হাসেমের এই করুণ অবস্থা নিয়ে গত ৫ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লার স্থানীয় একটি দৈনিক সংবাদ প্রকাশ করলে বিষয়টি নজরে আসে কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের। তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবাইয়া খানমকে দায়িত্ব দেন। এরপর যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নিয়ে তার হাতে ঘরের চাবি বুঝিয়ে দেন উপজেলা প্রশাসন।

ঘরের চাবি পেয়ে ভূমিহীন আবুল হাসেম বলেন, ভাঙা ঘরে চার সন্তান নিয়ে খুব কষ্টে দিন পার করছিলাম। এখন একটি ঘর পেয়েছি। তাতে বসবাস করতে পারব। কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা পেয়েছি। তাতে হয়তো সংসারের অভাব কিছুটা কমবে। আমি ডিসি স্যার, ইউএনও স্যার ও স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীকে ধন্যবাদ জানাই। তাদের কারণেই আমি একটি পাকা ঘরে স্থায়ী ঠিকানা পেয়েছি। 

কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবাইয়া খানম বলেন, আবুল হাসেমের এমন দুর্দশার কথা আমাদের জানা ছিল না। গণমাধ্যমের কারণে জেনেছি। সঙ্গে সঙ্গে তার পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছি। জেলা প্রশাসক স্যারের নির্দেশে তাকে একটি পাকা ঘর নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে। উপজেলার সালামপুরে আমাদের একটি আশ্রয়ণ প্রকল্পে ২৫টি ঘর আছে। সেখানে একটি ঘরে কোনো উপকারভোগী ছিলো না আবুল হাসেমকে একটি ঘর বুঝিয়ে দিয়েছি। ঘরের জায়গাটি দ্রুত তার নামে বন্দোবস্ত করে দেওয়া হবে।