রাজধানীর ভাটারা এলাকায় এক গৃহবধুকে গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যা করা হয়েছে। ওই গৃহবধুর নাম আয়েশা বেগম (৩০)। শুক্রবার বেলা ১২ টার দিকে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করেছে। নিহত আয়েশার স্বামীর নাম জসিম। নিহতের স্বজনরা দাবি করছেন জসিম তাকে হত্যা করেছে। এ ঘটনার পর থেকে জসিম পলাতক রয়েছেন।
জানা গেছে, আয়েশা তার ছেলে জয় (১২) ও মেয়ে ঐশীকে (৮) নিয়ে ভাটারা এলাকার ছোলমাইদ কবরস্থান রোডে একটি টিনসেড বাসায় ভাড়া থাকতেন। তার স্বামী আরেক স্ত্রীর সঙ্গে পাশের একটি বাসায় ভাড়া থাকতেন। শুক্রবার সকালে ঘরের মধ্যে তার লাশ পড়ে থাকতে দেখে প্রতিবেশীরা থানায় খবর দেন। এরপর ভাটারা থানার এসআই নাজমুল হুদা ওই বাসা থেকে তার লাশ উদ্ধার করেন।
এসআই নাজমুল হুদা জানান, নিহতের গলায় সিলভারের তার পেঁচানো ছিল। আর তার হাত পা বাঁধা ছিল। এছাড়া শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলা ফুলা জখম রয়েছে। তিনি বলেন, ময়না তদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ বলা যাবে।
আরও পড়ুন: সামাজিক মাধ্যমের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য ঐকমত্য
নিহতের চাচাতো ভাই মোহাম্মদ মামুন জানান, আয়েশা বেগমের স্বামী জসিম দুই বছর আগে আর একটি বিয়ে করেন। এরপর থেকে আয়েশাকে নানাভাবে নির্যাতন করা শুরু করেন। বিভিন্ন সময় জসিম আয়েশাকে মারধর করতেন। গত বৃহস্পতিবার রাতে জসিম বাসা থেকে জয় আর ঐশী তার বোনের বাসায় নিয়ে যান। ওই রাতে আয়েশা একা বাসা ছিলেন। পরিবারের ধারণা, জসিম জয় আর ঐশিকে বাসা থেকে সরিয়ে দিয়ে তারপর আয়েশাকে হত্যা করেছেন। হত্যার পর জসিম এলাকা থেকে পালিয়ে গিয়েছেন।
ভাটারা থানার এসআই মোবারক শুক্রবার রাতে জানান, পুলিশ জসিমকে গ্রেফতারের জন্য অভিযান চালাচ্ছে। তবে রাত সাড়ে ১২ টা পর্যন্ত তাকে গ্রেফতার করা যায়নি।
ইত্তেফাক/কেকে