কুষ্টিয়ায় ২১০ জন হোমিওপ্যাথি ডাক্তারকে সনদ প্রদান   

কুষ্টিয়া হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজের ২৪তম ব্যাচের ইন্টার্নি সম্পন্নের পর ২১০ জন ডাক্তারকে সনদপত্র বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ২০২২ সালের বোর্ড ফাইনাল পরীক্ষায় মেধা তালিকায় স্থান লাভকারী চার শিক্ষার্থীকে সন্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। 

শনিবার (২০ এপ্রিল) কলেজের হলরুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো. মিজানুর রহমান।
 
কুষ্টিয়া হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) ডাক্তার মো. আতিয়ার রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন ডিপলেড ল্যবরেটরিজের ডেপুটি সেলস ম্যানেজার মোহাম্মদ সাগর, কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক ড. এনামুল হক, ম্যানেজিং কমিটির সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান, প্রাক্তন চিকিৎসক ডাক্তার কাজী জালাল উদ্দিন, সিনিয়র ডাক্তার মো. ওবাইদুল ইসলাম ও ডাক্তার মো. রাশিদুল হাসান। এতে পবিত্র কোরআন তেলওয়াত করেন প্রভাষক মো. আব্দুর রহিম। 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, হোমিও চিকিৎসা আদিকাল থেকে আমাদের জীবনের সাথে দারুনভাবে যুক্ত ও স্বাস্থ্য সেবায় ভূমিকা রাখছে। সুস্থতার সঙ্গে বেঁচে থাকাটাই হচ্ছে জীবনের বড় স্বার্থকতা। এলোপ্যাথি চিকিৎসার পাশাপাশি হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় মানুষের আস্থা রয়েছে যথেষ্ট। হোমিও চিকিৎসায় তুলনামূলক ব্যয় অনেক কম। 

তিনি আরও বলেন, এ ছাড়া এই ঔষধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া তেমন নেই। চিকিৎসকরা সরাসরি রোগীদের সেবা দেন। চিকিৎসকদের প্রধান ব্রত হচ্ছে মানব সেবা। চিকিৎসা ও শিক্ষা এই দুই খাত স্বাস্থ্য সেবাসহ দেশের উন্নয়ন-অগ্রগতির জন্য অতীব গুরুত্বপূর্ণ। হোমিও চিকিৎসার আরও প্রসার ঘটলে দেশের জনগন চিকিৎসা সেবা পেয়ে উপকৃত হবেন বলে তিনি উল্লেখ করেন। 

সভা শেষে প্রধান অতিথি ২০২২ সালের বোর্ড ফাইনাল পরীক্ষায় মেধা তালিকায় স্থান লাভকারী চার শিক্ষার্থী মহিমা আক্তার, আউলিয়া খাতুন, তহুরা ফেরদৌসী ও হুমায়রা খাতুনের হাতে সন্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন। 

এ ছাড়া সাড়ে চার বছর শিক্ষা সমাপনী ও সফলভাবে ছয় মাস ইন্টার্নি সম্পন্নের পর ২৪তম ব্যাচের ২১০ জন ডাক্তারকে হোমিও বোর্ড কর্তৃক প্রদত্ত ডাক্তারি সনদ প্রদান করা হয়।