গাজার সীমান্ত শহর রাফায় আক্রমণ শুরু করার আগে মার্কিন উদ্বেগ ও চিন্তাভাবনা শুনতে রাজি হয়েছে ইসরায়েল। রোববার হোয়াইট হাউসের জাতীয় নিরাপত্তা মুখপাত্র জন কিরবি এ কথা বলেছেন। খবর রয়টার্সের।
ইসরায়েলের একজন সিনিয়র প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা বুধবার বলেছেন, মানবিক বিপর্যয়ের আন্তর্জাতিক সতর্কতা সত্ত্বেও ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী রাফা থেকে ফিলিস্তিনি বেসামরিকদের সরিয়ে নিতে এবং সেখানে হামাসের আস্তাগুলোতে আক্রমণ করার জন্য প্রস্তুত।
ওয়াশিংটন বলেছে, তারা উপযুক্ত ও বিশ্বাসযোগ্য মানবিক পরিকল্পনা ছাড়া রাফা অভিযানকে সমর্থন করতে পারে না।
কিরবি এবিসিকে বলেছেন, ‘আমরা যতক্ষণ না আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি ও উদ্বেগগুলো প্রকৃতপক্ষে আলোচনা করতে পারছি ততক্ষণ তারা রাফায় অভিযানে যাবে না বলে আমাদের আশ্বস্ত করেছে।’
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন আগামী সপ্তাহে এই অঞ্চলে সফর করবেন। কিরবি বলেছেন, তিনি একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির জন্য চাপ দেওয়া অব্যাহত রাখবেন। ওয়াশিংটন চায় এই বিরতি কমপক্ষে ছয় সপ্তাহ স্থায়ী হোক।
হামাসের একজন কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেছেন, যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আলোচনার জন্য সোমবার হামাসের একটি প্রতিনিধি দল কায়রো যাবে।
কিরবি বলেছেন, ‘আমরা মূলত আশা করছি ছয় সপ্তাহের একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির পরে হয়তো আরও স্থায়ী কিছু পেতে পারি। ইতোমধ্যে উত্তর গাজায় ত্রাণের ট্রাকের সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন তাদের সঙ্গে দেখা করার জন্য যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ইসরায়েলিরা তা পূরণ করতে শুরু করেছে।’
এই মাসের শুরুর দিকে বাইডেন প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে বলেছিলেন, ফিলিস্তিনি বেসামরিকদের রক্ষা করতে এবং গাজায় বিদেশি সাহায্য কর্মীদের নিরাপত্তা দিতে বা হামাস যোদ্ধাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইসরায়েলের প্রতি সমর্থন বন্ধ করতে পারে ওয়াশিংটন।