ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়া বলেছেন, 'টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) অর্জনে সমাজের কাউকে পেছনে ফেলে রাখা যাবে না।' শনিবার রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনিস্টিটিউটে তরুণদের এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।। বেসরকারি সংস্থা 'মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের' সহায়তায় ও 'সম্প্রীতি' প্রকল্পের আওতায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
তিনি বলেন, 'এসডিজি অর্জন করতে হলে জাতি-ধর্ম-বর্ণগত কারণেও কারো প্রতি বৈষম্য দেখানো উচিত হবে না। বাংলাদেশের তরুণরা অতীতেও ইতিহাস সৃষ্টি করেছে, ভবিষ্যতে ইতিহাস সৃষ্টি করার সক্ষমতা রাখে।'
তিনি আরও বলেন, 'তরুণরা ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, '৬৬র ছয়দফা এবং একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে সাহসিকতার সঙ্গে অংশগ্রহণ করেছিল বলেই আজ বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। অতীতে তরুণ প্রজন্ম যদি পাকিস্তানের মত একটি সুসজ্জিত সামরিক বাহিনীকে শুধু নিজেদের দৃঢ় মনোবল, অকুতোভয় সাহস আর দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে পরাজিত করতে পারে,তাহলে বর্তমান প্রজন্মও এদেশকে সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও মাদকমুক্ত একটি সুশৃঙ্খল ও সম্প্রীতির সমাজ বিনির্মাণে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে পারবে।' এ সময় তিনি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) অর্জনে সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে একসঙ্গে সম্পৃক্ত করতে এবং দেশকে উন্নতির শিখরে নিয়ে যেতে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান করেন।
আরও পড়ুন: ফের আন্দোলনে সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা
জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরামের সভাপতি, দি হাঙ্গার প্রজেক্টের কান্ট্রি ডিরেক্টর ও সুশাসনের জন্য নাগরিক’র (সুজন) সভাপতি ড. বদিউল আলম মজুমদার অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য আরমা দত্ত, পার্লামেন্টারিয়ান ককাস অন চাইল্ড রাইটস’র কো-চেয়ারম্যান ও প্রিপ ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান ও মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া।
ইত্তেফাক/জেডএইচডি