ইসলামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স: চিকিৎসক সংকটে ব্যাহত স্বাস্থ্যসেবা

চিকিৎসক সংকটে ইসলামপুরে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সেবা নিতে আসা রোগীদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। অন্যদিকে সিনিয়র স্টাফ নার্স খান মো. গোলাম মোর্শেদ প্রায় আট বছর অনুপস্থিত থেকেও প্রতি মাসে এসে বেতন উত্তোলন করছেন।  

হাসপাতাল সূত্রে জানায়, ৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালসহ তিনটি স্বাস্থ্য উপকেন্দ্রের কনসালট্যান্ট, জুনিয়র কনসালট্যান্টসহ মোট ৩৩টি পদ থাকলেও আট জন মেডিক্যাল অফিসার ও ছয় জন কনসালট্যান্ট কর্মরত রয়েছেন। এতেও ডেপুটেশনে দুই জন ও প্রেষণে দুই জন রয়েছেন। সার্জারি, মেডিসিন, কার্ডিওলজিষ্ট, ডেন্টাল সার্জন, এমটি ফিজিওথেরাপি চিকিৎসক না থাকায় স্বাস্থ্যসেবা বিঘ্নিত হচ্ছে।

অভিযোগ উঠেছে, সরকারি চিকিৎসার পরিবর্তে অতিরিক্ত লাভের আশায় প্রাইভেট ক্লিনিকে পাঠানো হচ্ছে। এতে অসহায় রোগীরা চিকিৎসার নামে হয়রানির শিকার হয়ে বাড়ি ফিরছে। ওত পেতে থাকা দালালরা সাধারণ রোগীদের হাসপাতাল গেটে প্রবেশ করামাত্রই সেবার নামে ডেকে নিয়ে মাত্রাতিরিক্ত টেস্টসহ অন্যান্য সুবিধার প্রতিশ্রুতি দিয়ে নিজেদের পকেট ভারী করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। এতে রোগীরা ঠিকমত চিকিৎসা না পেয়ে চোখের জলে বুক ভাসিয়ে বাড়ি ফেরে। শিডিউল টাইম মাফিক ডাক্তার না থাকারও অভিযোগ রয়েছে রোগীদের। 

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. এ এ এম আবু তাহের বলেন,‘চিকিৎসক সংকটসহ নার্স অনুপস্থিতির বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।