ঘূর্ণিঝড় রেমাল

হাতিয়ার সঙ্গে নৌ যোগাযোগ বন্ধ, ৯ নম্বর বিপৎসংকেত 

ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে বঙ্গোপসাগর উত্তল থাকায় নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার সঙ্গে সারাদেশের সব ধরণের নৌ-যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। নোয়াখালীর উপকূলীয় এলাকা আবহাওয়া অফিস ঘোষিত ৯ নম্বর বিপৎসংকেতের আওতায় থাকায় হাতিয়ায় ২৪২টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র জন-সাধারণের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে এবং সব ধরনের নৌযান ঘাটে নৌঙর করে রাখা হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে গতকাল শনিবার (২৫ মে) থেকে হাতিয়ায় বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। আজও সকাল থেকে হাতিয়া উপকূলীয় এলাকায় দমকা হাওয়া বয়ে যাচ্ছে। 

গতকাল উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শুভাশীষ চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপজেলা প্রশাসনের সকল কর্মকর্তাবৃন্দ, জনপ্রতিনিধিবৃন্দ ও ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি (সিপিপি)’র কর্মীরা সভায় উপস্থিত ছিলেন। 

৯ নং বিপৎসংকেতের আওতায় থাকায় হাতিয়াতে সিপিপির ১ শত ৭৭টি ইউনিটে তিনটি করে সিগন্যাল পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে এবং নদীর তীরের লোকজনকে আশ্রয়কেন্দ্রে আসার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। 

সিপিপির সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ বদিউজ্জামান জানান, হাতিয়ায় সিপিপির সকল ইউনিটের সদস্যদেরকে ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। 

এদিকে হাতিয়া দ্বীপের সঙ্গে বাইরের সকল প্রকার নৌযান চলাচল বন্ধ থাকায় মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়ে পড়েছে এবং যাত্রীরা আটকে পড়ে আছে। এ আসনের এমপি মোহাম্মদ আলী এলাকায় অবস্থান করছেন এবং দুর্যোগ মোকাবেলায় দলীয় নেতা কর্মীদের প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ প্রদান করেছেন।