কঠিন পথে যাবে মোহামেডান

প্রিমিয়ার হকি লিগের বিভিন্ন ইস্যুতে বাংলাদেশ হকি ফেডারেশন একসঙ্গে ৩১ জনকে শাস্তি দিয়েছে। শনিবার হকি ফেডারেশনে অনুষ্ঠিত প্রায় ৭ ঘণ্টার সভায় শাস্তির সিদ্ধান্তগুলো নেওয়া হয়। যেখানে এত বড় একটি সিদ্ধান্ত হতে যাচ্ছে সেখানে হকি ফেডারেশনের সভাপতি ছিলেন না। তাকে ছাড়াই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ফেডারেশন। এসব বিষয় নিয়ে মোহামেডান আপিল করবে, এরপর ক্রীড়ামন্ত্রীর কাছে যাবে। প্রতিকার না পেলে আইনি প্রক্রিয়ায় হাঁটবে মোহামেডান। কঠিন পথে যাবে মোহামেডান। 

শাস্তির মধ্যে ৩১ জনের মধ্যে মোহামেডানেরই ১১ জন। খেলোয়াড়, কোচ, কর্মকর্তা কাউকে বাদ দেয়নি, সবাইকে শাস্তি দিয়েছে। ৭ ম্যাচ, ১২ ম্যাচ, ২ ম্যাচ বহিষ্কার। মালয়েশিয়ান কোচ আজীবন বহিষ্কার, মোহামেডানের ম্যানেজার প্রিন্স ৪ বছর বহিষ্কার, হকি ফেডারেশনের এ সিদ্ধান্তের মধ্যে উপস্থিত থাকলেও তাদের কাছে হাস্যকর মনে হচ্ছে। জিমিকে ১২ ম্যাচ বহিষ্কার, কারণ জিমি ১২৩ বার খেলা বন্ধ করেছে তাতে ২১৬ মিনিট খেলা বন্ধ ছিল। খেলা চলাকালীন রিভিউ চাইলে আম্পায়ার খেলা বন্ধ রাখবে। রিভিউ করতে গিয়ে আম্পায়ার যদি দেরি করেন, এই দোষ কার? প্রশ্ন জিমির।

জিমি বললেন, ‘আমি ২৪ বছর ধরে খেলছি। খেলার আইন-কানুন আমিও তো জানি। আমি তো আইনের বাইরে না। আইন মেনেই তো খেলেছি। আমি আইন ভাঙলে আম্পায়ার কেন আমাকে লাল কার্ড দিলেন না। আমি যদি আম্পায়ারকে গালি দিয়ে থাকি আম্পায়ার কেন আমাকে লাল কার্ড দিলেন না। পুরো লিগ দেখে আমাকে শাস্তি দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে। আম্পায়ার খেলা শেষে যে রিপোর্ট দেন বাইলজ অনুযায়ী দুই ঘণ্টার মধ্যে শাস্তি দিতে হয়। তখন কেন শাস্তি দিল না। তাহলে কিসের অপরাধে এত দিন পর নতুন করে শাস্তি, কেন। তাছাড়া আমিতো শাস্তির কারণে আবাহনীর বিপক্ষে খেলতেও পারিনি।’ 

মেরিনারের মিজানকে শোকজ করা হয়নি। তাকে সতর্ক করা হয়েছে। অশালীন মন্তব্যের অভিযোগে মোহামেডানের পরিচালক জামাল রানাকে আজীবন বহিষ্কার করা হয়েছে। এখন বহিরাগতদের দিয়ে হুমকিধামকি দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি ক্লাবের এক কর্মকর্তার।