পৌরসভা নির্বাচন 

সংখ্যালঘু ভোটারদের অস্ত্রের ভয় দেখাচ্ছে প্রতিপক্ষ: বাদশা

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার কাঞ্চন পৌরসভা নির্বাচনে ভোটারদের বিশেষ করে সংখ্যালঘু ভোটারদের  মেয়র প্রার্থী রফিকুল ইসলাম অস্ত্রের ভয় ও হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন অপর মেয়র প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা দেওয়ান আবুল বাশার বাদশা। 

রোববার (২৩ জুন) কাঞ্চনের চৌধুরীপাড়া, মোল্লাপাড়া, রানীপুরা এলাকায় গণসংযোগ করেন বাদশা। দুপুরে পৌর আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন। 

এ সময় তিনি বলেন, নিশি রাতে কালো গাড়ি নিয়ে ভোটারদের অস্ত্রের ভয় দেখাচ্ছে। আমার প্রতিপক্ষ রফিক ও তার ভাই শফিক। শফিকের বিশাল সন্ত্রাসী বাহিনী আছে। তার কাছে সব সময় অস্ত্র থাকে। রফিক ও তার লোকজন গভীর রাতে টাকা দিয়ে ভোট কিনার চেষ্টা করছে। ভোটের দিন রফিকের সন্ত্রাসী বাহিনী ভোট কেন্দ্রে হামলা, ভাঙচুর, কেন্দ্র দখল করতে পারে। প্রশাসনকে আমি নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানাচ্ছি।

গণসংযোগ করছেন মেয়র প্রার্থী ও আওয়ামী লীগ নেতা দেওয়ান আবুল বাশার বাদশা। ছবি: ইত্তেফাক
 
দেওয়ান আবুল বাশার বাদশা বলেন, মোবাইল ফোন বিপুল ভোটে বিজয়ী হবে। সন্ত্রাসীরা আমার লোকজনসহ  ভোটারদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। প্রশাসনের কাছে আমি এর প্রতিকার চাই। এবারের নির্বাচন কাঞ্চন থেকে ভূমিদস্যুদের প্রতিহত করার নির্বাচন। আপনারা আমাকে ভোট দিয়ে ভূমিদস্যুদের প্রতিহত করুন। আমি কারও জমি দখল করিনি। রফিকের দ্বারা যারা জমি হারিয়েছে আমি নির্বাচিত হলে তা ফিরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করব। কাঞ্চনের জনগণ আমার শক্তি। এখানে ৩ হাজার সংখ্যালঘু ভোটার রয়েছে। রফিক ৪টা হত্যা মামলার আসামি।  আমি ১০ বছর চেয়ারম্যান এবং ৫ বছর মেয়র ছিলাম, আমার দ্বারা কোনো লোক নির্যাতিত হয়নি।

এ ছাড়া এলাকার সাধারণ মানুষ উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে মোবাইল ফোন প্রতীকে ভোট দেওয়ার জন্য আহ্বান করেন বাদশা। তা ছাড়া বাদশার পক্ষে মাঠে নেমেছে শিল্পপতি আর খেটে খাওয়া মানুষ। গাজী পরিবারও দিয়েছেন সমর্থন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন রূপগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক এমায়েত হোসেন, কাঞ্চন পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রসুল কলি, রূপগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. ফয়সাল আহম্মেদ।

এ ছাড়া রোববার বাদশার পক্ষে কাঞ্চনের বিভিন্ন ওয়ার্ডে গণসংযোগ করেন রূপগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি গাজী গোলাম মূর্তজা পাপ্পা। গণসংযোগে সাধারণ মানুষ অংশ নেন।