পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু

মরদেহ নদীতে ভাসিয়ে দেওয়ার ঘটনায় তদন্ত প্রতিবেদন চেয়েছেন আদালত

হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জে পানিতে ডুবে মারা যাওয়া দুই শিশুর মরদেহ নদীতে ভাসিয়ে দেওয়ার ঘটনায় দেড় মাসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ দেখে স্বপ্রণোদিত হয়ে গতকাল বুধবার আজমিরীগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সোহেল ভূইয়া আজমিরীগঞ্জ থানার ওসিকে এ আদেশ দেন।

আজমিরীঞ্জ থানার ওসি ডালিম আহমেদ বলেন, দেড় মাসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে আদালত আদেশ দিয়েছেন। গতকাল সন্ধ্যায় আদেশের কপি পাওয়ার পর থেকে ঘটনার তদন্তে কাজ করছে পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, শনিবার আজমিরীগঞ্জ উপজেলার পাহাড়পুর গ্রামের রুবেল দাসের ছেলে সূর্য দাস ও মামুদপুর গ্রামের গোবিন্দ দাসের ছেলে প্রলয় দাস নদীতে গোসলে গিয়ে ডুবে মারা যায়। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের রীতি অনুযায়ী, ১৮ বছরের নিচে কেউ মারা গেলে মরদেহ দাহ না করে সৎকার করা হয়। সে অনুযায়ী প্রলয় ও সূর্যের লাশও শ্মশানের পাশে সৎকার করা হয়। 

কিন্তু স্থানীয় প্রভাবশালীরা পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার অজুহাতে মরদেহগুলো উত্তোলন করে কুশিয়ারা নদীতে ভাসিয়ে দিতে শিশুদের পরিবারকে বাধ্য করে। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর প্রভাবশালীরা বিষয়টি ধামাচাপা দিতে বিভিন্ন স্থানে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।