কয়েকদিনের ভারী বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে বাড়ছে যমুনা নদীর পানি। এতে জামালপুরের ইসলামপুরের ৮ ইউনিয়নে বন্যা পরিস্থিতি অবনতি হয়েছে। এ এলাকার ৭০ গ্রাম প্লাবিত হওয়ার পাশাপাশি ভাঙনে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে তিন শতাধিক বাড়িঘর।
জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা নদীর বাহাদুরাবাদ ঘাট পয়েন্টে পানি বিপদসীমার ৭৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর ফলে উপজেলার কুলকান্দি, বেলগাছা, চিনাডুলী, সাপধরী, নোয়ারপাড়া, ইসলামপুর সদর, পার্থশী ও পলবান্ধা ইউনিয়নের ৭০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।
এছাড়া কয়েক দিনে যমুনা নদী ভাঙনে তিন শতাধিক বাড়িঘর নদীর গর্ভে বিলীন হয়েছে। ভাঙনের মুখে পড়েছে ফসলি জমি,শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ বিভিন্ন স্থাপনা।
সরেজমিনে দেখা গেছে, নদীর পানি বাড়ায় উপজেলার বেলগাছা ইউনিয়নের মন্নিয়া, সিন্দুরতলী, শিলদহ, সাপধরী ইউনিয়নের চেংগানিয়া, মন্ডলপাড়া, কাঁসারী ডোবা, আকন্দপাড়া, কুলকান্দি ইউনিয়নের জিগাতলা, বেড়কুশা, নোয়ারপাড়া ইউনিয়নের টগা, হাড়গিলা, চিনাডুলী ইউনিয়নের নন্দনের পাড়, দেওয়ানপাড়া ও শিংভাঙা এলাকায় তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। নদীগর্ভে বিলীনের আশঙ্কায় রয়েছে ফসলি জমি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন স্থাপনা।
বেলগাছা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক জানান, নদী ভাঙনে যাদের বাড়িঘর বিলীন হয়েছে তারা এখন খোলা আকাশের নিচে দিন কাটাচ্ছেন। ইতোমধ্যে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৬ টন চাল ও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ত্রাণ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম জানান, দুর্গত পরিবারগুলোর খোঁজ-খবর নিচ্ছি। ইতোমধ্যে তাদের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।