বাংলাদেশের পরিস্থিতির ওপর ঘনিষ্ঠভাবে নজর রাখছে যুক্তরাষ্ট্র। বর্তমান পরিস্থিতিতে সবাইকে শান্ত থাকার ও উত্তেজনা প্রশমনের আহ্বান জানিয়েছে দেশটি। গত সোমবার নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার এ আহ্বান জানান।
ব্রিফিংয়ে তাকে প্রশ্ন করা হয় যে, বাংলাদেশে নিরাপত্তা বাহিনীকে ‘শুট-অন-সাইট’ এর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেখানে পঞ্চম দিনের মতো ইন্টারনেট সেবা বন্ধ রয়েছে। বাংলাদেশে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের প্রতি মার্কিন কংগ্রেসের অনেক সদস্য, মানবাধিকার সংগঠন সংহতি জানিয়েছে। নোবেল জয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশের জনগণ ও গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও জাতিসংঘসহ বিশ্ব নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। এ বিষয়ে আপনার মন্তব্য কি?
জবাবে মিলার বলেন, আমরা বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সকল সহিংস কর্মকাণ্ডের নিন্দা জানাই। একই সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সমবেত হওয়ার বিষয়ে আমাদের অকুণ্ঠ সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করছি। বাংলাদেশ জুড়ে টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা অব্যাহতভাবে বিঘ্নিত হওয়ায় আমরা উদ্বিগ্ন। এ কারণে দেশটিতে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকসহ বাংলাদেশিরা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাচ্ছে না। ইন্টারনেট সেবা দ্রুত চালু করার জন্য আমরা সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই। তিনি বলেন, দেখামাত্র গুলির (শ্যুট-অন-সাইট) নির্দেশের নিন্দা জানাই এবং তা বাতিলের আহ্বান জানাই।
মুখপাত্র আরও বলেন, গণতন্ত্রের উন্নয়নে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে সাংবাদিকদের স্বাধীনভাবে কাজ করতে সক্ষম হওয়া জরুরি।