ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া শহরের দেবগ্রাম সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। এ অভিযোগের ভিত্তিতে ওই বিদ্যালয়ের ইংরেজী শিক্ষক সামসুল ইসলাম পলাশকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ওই শিক্ষকের বিচারের দাবিতে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করছে।
জানা গেছে, দেবগ্রাম সরকারি পাইট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষা শেষ হয়েছে তিন দিন আগে। পরীক্ষা শেষে মঙ্গলবার ছিল বিদ্যালয় খোলার প্রথম দিন। সেদিন ওই বিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রীর উপস্থিত কম ছিলো। এ সুযোগে ওই শিক্ষক ওই ছাত্রীকে একটি রুমে নিয়ে তার সংবেদনশীল স্থানে হাত দেয়।
পরে ওই ছাত্রী বাড়িতে গিয়ে তার বাবা-মাকে বিষয়টি জানায়। ওই ছাত্রীর বাবা-মা বিদ্যালয়ে গিয়ে প্রধান শিক্ষককে ঘটনাটি জানান। ইতিমধ্যে বিষয়টি চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।
এ নিয়ে বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক একটি কক্ষে বসে বৈঠক করেন।বৈঠকে উপস্থিত হন উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাহমিনা আক্তার রেইনা ও ওসি রসুল আহমেদ নিজামী। ওখান থেকে ওই শিক্ষককে আটক করে নিয়ে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।
অভিভাবক জাকির ও শামীম মোল্লা বলেন, ‘ওই শিক্ষক এর আগেও এরকম একাধিক ঘটনা ঘটিয়েছে। তার দৃষ্টান্তমূলক শান্তি না হওয়ার কারণে আবার এ জাতীয় ঘটনা ঘটিয়েছে।’ ওই শিক্ষকের কঠোর শাস্তি দাবি করেন তারা।
আখাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ রসুল আহমেদ নিজামী বলেন, ‘শিক্ষক সামসুল ইসলাম পলাশকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।’
আরও পড়ুন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শ্বশুরবাড়ির বাথরুম থেকে জামাইয়ের মরদেহ উদ্ধার
উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও দেবগ্রাম সরকারি পাইট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি তাহমিনা আক্তার রেইনা বলেন, ‘আটক করা হয়েছে অভিযুক্ত ওই শিক্ষককে। তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
ইত্তেফাক/নূহু