ফুটফুটে শিশু আলামিনকে দেখে বোঝার উপায় নেই মারাত্মক ব্যাধি তার শরীরে। জন্ম থেকেই তার হার্টে ছিদ্র ও দুটি শিরা অকেজো। সন্তানের চিকিৎসার জন্য বাড়তি উপার্জন করতে মালয়েশিয়ায় গিয়ে বিপাকে পড়েছেন আলামিনের বাবা মাহাবুর রহমান। আদরের সন্তানকে বাঁচাতে তাই দ্বারে দ্বারে ছুটছেন তার মা মনিরা খাতুন।
যশোর সদরের নারাঙ্গনখালীর ইছাপুর গ্রামের মাহাবুর রহমান ও মনিরা খাতুনের ছোট ছেলে আলামিন। বয়স মাত্র সাড়ে তিন বছর। পৃথিবীর আলো বাতাস দুচোখ ভরে দেখা হয়নি তার। কিন্তু এই বয়সে সে প্রাণ ভরে শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে পারছে না। জন্ম থেকেই তার হার্টে ছিদ্র। পাশাপাশি দুটি শিরা অকেজো হয়ে গেছে। তার চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন ৭ -৮ লাখ টাকা।
শিশুটির মা মনিরা খাতুন জানান, ২০১৬ সালের ১ জানুয়ারি তাদের কোল আলোকিত করে জন্ম নেয় শিশু আলামীন। ওই বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে তাকে ডাক্তার দেখানো হয়। ডাক্তার জানান, তাদের সন্তান আলামিনের হার্টে ছিদ্র। একথা শুনে ওই বছরই তারা তাদের সন্তানকে ভারতের রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হাসপাতলের চিকিৎসক বিশ্বজিতের কাছে চিকিৎসা করান। ড. বিশ্বজিত বলেন, তাদের সন্তানকে পুরোপুরি সুস্থ করে তুলতে ৭ থেকে ৮ লাখ টাকা প্রয়োজন। কিন্তু তাদের পক্ষে এত টাকা ব্যয় করে চিকিৎসা করানো সম্ভব হচ্ছে না।
মনিরা খাতুন আরও জানান, তার স্বামী রডমিস্ত্রি। সন্তানের চিকিৎসার জন্য বাড়তি টাকা আয় করতে আড়াই বছর আগে তিনি মালয়েশিয়া যান। কিন্তু দালালের খপ্পরে পড়ে তিনিও সেখানে বিপদে আছেন। আর এখানে মনিরা খাতুন অবুঝ সন্তান আলামিনকে নিয়ে কোনরকম খেয়ে পরে বেঁচে আছেন। এই দরিদ্র মা তার নিষ্পাপ সন্তানকে বাঁচানোর জন্য সমাজের সহৃদয়বান দানশীল মানুষের সাহায্য কামনা করেছেন।
আরও পড়ুন: যুবলীগ নেতাকে হত্যার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ নেতা
সকলের একটু সাহায্য পেলে বেঁচে যেতে পারে তাদের অবুঝ সন্তান আলামিন। সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা-বিকাশ নম্বর-০১৮৫৭৯৩৫৪৮১।
ইত্তেফাক/নূহু