যমুনা সেতুর টোলের ঠিকাদারি পরিবর্তন, সাশ্রয় ১৫ কোটি টাকা 

দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সেতু যমুনা সেতুর টোল আদায় ও পরিচালনা কাজের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান পরিবর্তন করে চায়না রোড এন্ড ব্রিজ করর্পোরেশনকে (সিআরবিসি) ৫ বছরের জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এতে প্রাক্কলিত মূল্য হতে সরকারের ১৫ কোটি ১১ লাখ ৩৩ হাজার ১১৭ টাকা সাশ্রয় হবে বলে জানান সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

শনিবার (৩১ আগস্ট) দায়িত্ব পেয়ে রাত ১২টা ১ মিনিটে সেতুর দায়িত্ব গ্রহণ করেছে কোম্পানিটি। 

বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, সেতুর প্রাক্কলিত মূল্য ছিল ৭৪ কোটি ৭৫ লাখ ২৯ হাজার ৬২১ টাকা এবং সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে ঠিকাদারি কোম্পানি ৬৯ কোটি ৬৩ লাখ ৯৬ হাজার ৫০৪ টাকা মূল্যে দরপত্র প্রদান করা হয়। এতে প্রাক্কলিত মূল্য হতে বাংলাদেশ সরকারের ১৫ কোটি ১১ লাখ ৩৩ হাজার ১১৭ টাকা সাশ্রয় হবে।

WhatsApp Image 2024-09-01 at 5.09.22 PM (1)

যমুনা সেতুর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ তোফাজ্জল হোসেন বলেন, ১৫ কোটি টাকা সাশ্রয়ী হলেও টোল কমানোর কোনো সুযোগ নেই। সরকার নির্ধারিত টোল আদায় করতে হবে। ডিজিটাল সফটওয়্যারের মাধ্যমে টোল আদায় করা হবে। 

২০১৮ সাল হতে বাংলাদেশ সেতু কতৃপক্ষ চলতি বছরের আগস্ট পর্যন্ত যমুনা সেতুর টোল আদায় ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে ছিল। দীর্ঘ ৬ বছর পর নতুন কোনো ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দিল সরকার।

নতুন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দেওয়ার পর রোববার যমুনা সেতু পরিদর্শন করেন বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা।

WhatsApp Image 2024-09-01 at 5.09.22 PM (2)

বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের যুগ্ম সচিব আলতাফ হোসেন বলেন, ইতোমধ্যে কার্যাদেশ পেয়ে রাত ১২টার পর থেকে নতুন কোম্পানি টোল আদায় শুরু করেছে। এই কোম্পানির (সিআরবিসি) ব্যবস্থাপনা এবং যে সফটওয়্যারের মাধ্যমে টোল আদায় করা হবে, এর ফলে দ্রুত সময়ের মধ্যে গাড়ি পারাপার করা যাবে। এখানে অনলাইনে টোল দিয়ে যাতায়াতের জন্য প্রত্যেকটা লাইনে ব্যবস্থা থাকবে। ব্যবহারকারী যদি টোল কালেকশন সিস্টেমে অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করে, তাহলে পারাপারের সময় তারা অনলাইনে টোল দিতে পারবে। সরাসরি টোলের ব্যাংক একাউন্টে টাকাটা জমা হয়ে যাবে। এতে টোলে কোন ট্রাফিক জ্যাম হবে না।