গাইবান্ধা সদর উপজেলার ত্রিমোহনী-কালীর বাজার মাটির সড়কটির দৈর্ঘ্য মাত্র ৪ কিলোমিটার। এই সড়কে যাতায়াত করেন পাঁচ গ্রামের শিক্ষার্থীসহ কয়েক হাজার মানুষ। কিন্তু গত কয়েকদিনের বৃষ্টিতে সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। কাঁদা মাড়িয়ে পথ চলতে হচ্ছে এলাকাবাসীকে। সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ দীর্ঘদিন থেকে সড়কটি সংস্কার করার জন্য কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।
সরেজমিন দেখা যায়, এই চার কিলোমিটার কাঁচা সড়কটি ত্রিমোহনীর পিয়ারাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের দক্ষিণ পাশ দিয়ে পূর্ব দিকে আলাই নদী ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ অতিক্রম করে ফুলছড়ি উপজেলার কালীর বাজারে সংযুক্ত হয়েছে। এই সড়কে যাতায়াত করে ত্রিমোহনী, পিয়ারাপুর, নশরতপুর, বোয়ালী ও উদাখালি গ্রামের কয়েক শত শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, কৃষক ও সাধারণ লোকজন এবং অসংখ্য যানবাহন। কিন্তু একটু বৃষ্টি হলেই কাদায় পূর্ণ হয়ে সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে যায়।
এছাড়া সড়কটি অসমতল এবং এবড়ো থেবড়ো (উচু-নীচু)। এ কারণে সন্ধ্যার পর অন্ধকারে হেঁটে চলাচল করতেও হোঁচট খেতে হয়।
ত্রিমোহনী গ্রামের এ বি এম ফজলুল বারী (৪৫) বলেন, 'স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ অসংখ্য মানুষের যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম এই সড়কটি। কিন্তু বর্তমানে সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ছোটবেলা থেকে সড়কটির এই অবস্থা দেখে আসছি। কেউ সংস্কার বা পাকা করার উদ্যোগ নেয়নি। কিছুদিন আগে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে গাইবান্ধা সদর আসনের সংসদ সদস্যের নিকট লিখিত আবেদন করেছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোন সাড়া পাওয়া যায়নি।'
ওই এলাকার অটোরিক্সা চালক সাইফুল ইসলাম বলেন, 'সামান্য বৃষ্টিতে কাদার মধ্যে দিয়ে হেঁটে চলাচল করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। তারপরও বিকল্প সড়ক না থাকায় অনেক ঝুঁকি নিয়ে এই সড়ককে যাতায়াত করতে হয়।'
গাইবান্ধা সদর উপজেলার বোয়ালী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল্লা খান জানান, বিষয়টি উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে কাজ শুরু করা হবে।
আরও পড়ুন: লাকসামে ধর্ষণের অভিযোগে ভূয়া ডাক্তার গ্রেফতার
গাইবান্ধা সদর উপজেলার এলজিইডির প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ মোল্লা জানান, বিষয়টি তার জানা নাই। খোঁজ নিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
ইত্তেফাক/নূহু