নুসরাতের মায়ের সাক্ষী ও জেরা গ্রহণ শেষ

সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদরাসার আলিম পরীক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলায় ১১তম সাক্ষীর সাক্ষ্য রেকর্ড ও আসামি পক্ষের জেরা শেষ হয়েছে।

বুধবার বেলা ১১ টায় মামলার ১০ দিনে ১১ম সাক্ষী নুসরাত জাহান রাফীর মা শিরিনা আক্তারের সাক্ষী ফেনী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামুনুর রশিদের আদালতে রেকর্ড করা হয়। 

এরপর ১৬ জন আসামির পক্ষে ১৬ জন আইনজীবী বিকাল ৪টা পর্যন্ত একটানা জেরা শেষ করেন। জেরা শেষে আদালত ১১ জুলাই বৃহস্পতিবার মাদ্রাসার পরীক্ষা হলের হল পরিদর্শক আবুল খায়েরের সাক্ষী গ্রহণ ও জেরার তারিখ ধার্য্য করে আদালত কার্যক্রম মুলতবি ঘোষণা করেন। এ সময় আদালত চলাকালে ১৬ জন আসামির সকলে উপস্থিত ছিলো।

আসামিরা হলো, অধ্যক্ষ এস.এম সিরাজ-উদ-দৌলা, কাউন্সিলর ও পৌর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাকসুদ আলম, শিক্ষক আবছার উদ্দিন, সহপাঠী আরিফুল ইসলাম, নূর হোসেন, কেফায়াত উল্যাহ জনি, মোহাম্মদ আলা উদ্দিন, শাহিদুল ইসলাম, অধ্যক্ষের ভাগনি উম্মে সুলতানা পপি, জাবেদ হোসেন, জোবায়ের আহমেদ, নুর উদ্দিন, শাহাদাত হোসেন শামীম, মোঃ শামীম, কামরুন নাহার মনি, আবদুর রহিম ওরফে শরিফ, ইফতেখার হোসেন রানা, এমরান হোসেন মামুন, মহিউদ্দিন শাকিল, হাফেজ আবদুল কাদের ও আওয়ামী লীগ সভাপতি ও নুসরাতের মাদরাসার সহ-সভাপতি রুহুল আমিন ওরফে গুজা রুহুল। 

চলতি বছরের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদরাসার আলিম পরীক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফিকে যৌন নিপীড়নের দায়ে মাদরাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ৬ এপ্রিল ওই মাদরাসা কেন্দ্রের সাইক্লোন শেল্টারের ছাদে নিয়ে অধ্যক্ষের সহযোগীরা নুসরাতের শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। টানা পাঁচদিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে অবশেষে নুসরাত জাহান রাফি মারা যান। 

আরও পড়ুন: কালিয়ায় ১২ বছরের শিশু ধর্ষণের শিকার

এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান নোমান বাদী হয়ে অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলাসহ আট জনের নাম উল্লেখ করে সোনাগাজী মডেল থানায় একটি মামলা করেন। 

ইত্তেফাক/নূহু