ফেনীতে ছাত্রদলের দুগ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১০

ফেনীর সদর উপজেলার ছনুয়াতে ছাত্রদলের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় সাংবাদিকসহ ১০ জন আহত হয়েছে। এ ঘটনায় ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 

রোববার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ছনুয়া ইউনিয়ন গেটে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ৪টি মোটরবাইক পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় ৭ জনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।    

জানা গেছে, শনিবার বিকালে ছনুয়া ইউনিয়নের তালতলা এলাকায় নেতা-কর্মীদের নিয়ে ঘরোয়া বৈঠক করে সদর উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচীব নজরুল ইসলাম। বৈঠক শেষে যাওয়ার পথে সাবেক ছাত্রদল নেতা আহসান সুমন তার লোকজন নিয়ে নজরুল ও তার নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা করে। তখন দুগ্রুপের সংঘর্ষে ৩ জন আহত হয়। এ ঘটনার জেরে আজ সকালে ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহ-সভাপতি শরিফকে তুলে নিয়ে যায় আহসান সুমন বাহিনী। সদর থানা ছাত্রদলের সদস্য সচিব নজরুলের নেতৃত্বে শরিফকে উদ্ধারে যাওয়ার পথে ছনুয়ার গেইটের নিচে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এসময় অনলাইন সমাচারের রিপোর্টার এম কাওছারসহ ১০ জন আহত হন। 

ঘটনার প্রতিবাদে জেলা ছাত্রদল তাৎক্ষণিকভাবে ফেনী প্রেসক্লাবের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একটি সমাবেশ করে। সমাবেশে বক্তারা হামলাকারী আহসান সুমনকে চিহ্নিত মাদক কারবারি আখ্যায়িত করে অনতিবিলম্বে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানান।

এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত আহসান সুমনকে বার বার মুঠোফোনে কল দিলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। 

ফেনী জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোরশেদ আলম মিলন বলেন, শনিবার রাতে একটা প্রোগ্রামকে কেন্দ্র করে আহসান সুমনের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি হয়। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আজকে দুপুরে সুমন সমর্থিতরা আবার কয়েকজন নেতাকর্মীকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মারাত্মক আহত করে। এ বিষয়ে থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছে আহতদের পরিবার।

ফেনী মডেল থানার ওসি মুহাম্মদ রুহুল আমিন বলেন, এ বিষয়ে থানায় কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।